বাংলাহান্ট ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার হারানোর পর এবার বাদ পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকা থেকেই এবার বাদ পড়ল মমতার নাম। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। জানা যাচ্ছে, শিল্পের জন্য অবদানের ক্ষেত্রে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকা থেকে একেবারে বাদ পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের নামের তালিকা থেকে বাদ মমতা (Mamata Banerjee)
চেম্বার অফ কমার্সের তরফে বাংলায় কাটমানি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করতে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ধন্যবাদ দেওয়া হয়। সেখানেই সুস্পষ্ট ভাবে বলা হয়, জমি নীতি নিয়ে আগের মুখ্যমন্ত্রীকে বলা হলেও তিনি শোনেননি। বিভিন্ন স্কিমের জন্য টাকা দিলেও শিল্পের জন্য কোনও অবদান ছিল না পূর্বতন সরকারের।

কী বার্তা দেওয়া হল: চেম্বার অফ কমার্সের তরফে বার্তায় লেখা হয়েছে, ‘দশ বছর আগে ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখার্জির সৌজন্যময় উপস্থিতিতে ভারত চেম্বার্স এর উদ্বোধন হয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের যেসব মুখ্যমন্ত্রী ‘ভদ্রলোক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে ডা: বিধানচন্দ্র রায়, শ্রী পি সি সেন, শ্রী অজয় কুমার মুখার্জি, শ্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়, শ্রী জ্যোতি বসু, শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সকলেই ব্যক্তিগত ভাবে আমাদের চেম্বারের বিভিন্ন স্মরণীয় অনুষ্ঠানে আশীর্বাদ করেছেন। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন আমাদের রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)।’
আরও পড়ুন : ১৫০০ টাকা রুমের ভাড়া ঠেকেছে ১০ হাজারে! রথের আগেই পুরীতে ‘সোল্ড আউট’ হোটেল
শিল্পে নেই অবদান: বার্তায় আরও লেখা হয়েছে, ‘আমাদের চেম্বারের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল নেতিবাচক। যদিও মহামারী ও ঘূর্ণিঝড়জনিত দুর্যোগের সময় আমরা রাজ্য সরকারকে আন্তরিক ভাবে সমর্থন করেছি। আমরা সবসময় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। অথচ একই সঙ্গে শিল্পোন্নয়ন ও বৃদ্ধির জন্য নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রে নিজেদের অসহায় অবস্থায় পেয়েছি।’ চেম্বার অফ কমার্সের এই বার্তায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকা থেকে শিল্পে অবদানের জন্য কার্যত বাদ গিয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।
আরও পড়ুন : বন্ধ হচ্ছে mAadhaar, নতুন আধার অ্যাপ কীভাবে সেট আপ করবেন, জানুন
শমীক ভট্টাচার্য উত্তরে বলেন, বাংলায় কেউ শিল্প করতে চাইলে চাষিদের থেকে জমি নিতেও সমস্যা ছিল। কোনও সঠিক জমি নীতি ছিল না। সেটার উপর কাজ শুরু হয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন, এবার বাধাহীনভাবে ব্যবসা করা যাবে। কোথাও টাকা দিতে হবে না। কয়েক মাসের মধ্যেই জমি নীতি ঠিক হয়ে যাবে।













