বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকার পোষিত কর্মী অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, পুরসভায় কর্মরতরা এখনও পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র মুখ দেখেননি। তাঁদের ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে কী আপডেট? অবিলম্বে সেই সকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আর্জি জানিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি দিয়েছে সরকারি কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি | Dearness Allowance
ক্ষমতায় এসেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো বকেয়া ডিএ মেটাতে পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া DA মেটাতে শুরু করেছে নবান্ন। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের একটা অংশের বকেয়া থাকা ডিএ ইতিমধ্যেই অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেওয়া হলেও গ্র্যান্ট-ইন-এড (Grant-in-aid) কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি এখনও।
জানা যাচ্ছে, এখনও বকেয়া ডিএ পাননি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, বোর্ড, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মী, কলকাতা পুরসভা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা। বিভিন্ন সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ এবং আন্ডারটেকিং সংস্থাগুলোর কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটাতে যাতে উদ্যোগ নেওয়া হয় তা নিয়ে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করল যৌথ মঞ্চ।
আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনার পর বার্ধক্য ভাতা নিয়ে আসছে ‘সুখবর’! কত টাকা মিলবে? বড় আপডেট সামনে
সম্প্রতি ডিএ সংক্রান্ত জটিলতা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৈঠক করেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি সহ আরও তিন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে। সেই বৈঠকের ৭ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিবকে চিঠি দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

কারা পেয়েছেন বকেয়া ভাতা?
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়ার অর্থ ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছেন। ২০০৮ থেকে ২০১৫-র ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ, যাঁরা ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের মধ্যে চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন, তাঁদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার অংশ অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে।














