বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) অম্লমধুর সমীকরণ একাধিকবার শিরোনামে উঠে এসেছে। তাপস রায়ের দলবদলের সময় সুদীপকে সরাসরি নিশানা করেছিলেন কুণাল। সেই কারণে সাসপেন্ডও হতে হয়। এবার শোনা যাচ্ছে, সেই সুদীপ (Sudip Bandyopadhyay) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের দলে নাম লেখাতে পারেন। এই জল্পনা ছড়াতেই ফের তাঁকে নিশানা করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক।
সুদীপ-নয়নাকে চাঁচাছোলা আক্রমণ কুণালের | (Kunal Ghosh)
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন কুণাল বলেন, “সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানে তো বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। বিজেপির মার্কেটিংয়ে বিরাট সাফল্য। এতে শুধু একজন পরচুলওয়ালা অদ্ভুত টাইপের লোক পাওয়া গেল তাই নয়, তার সঙ্গে একটা ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে। ফলে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি।“
আরও পড়ুনঃ ‘ও তো আমার সন্তানসম’! অভিষেককে নিয়ে এবার সুর নরম কল্যাণের
এখানেই না থেমে বেলেঘাটার বিধায়ক আরও বলেন, “উত্তর কলকাতার যে মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হল। উনি একাধিকবার দল পরিবর্তন করেছেন। কিন্তু বারবার… এই বয়সে এসেও এটা অবাঞ্ছিত।“
দলে ভাঙনের আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকলেও বিষয়টি তাঁর ‘প্রাপ্য’, ‘পাওনা’ বলে দাবি করেন কুণাল। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য, পাওনা। কারণ এই ধরনের জিনিসপত্রকে উনি মাথায় তুলে রেখেছিলেন।“

এদিনও তাপস রায়ের দলবদলের প্রসঙ্গ টেনে আনেন কুণাল। তিনি বলেন, “তাপস রায়ের মতো একজন দক্ষ নেতাকে চলে যেতে হল। এই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মেসেজ করে কেঁদে কেঁদে বলতেন, আমায় আবার উত্তর কলকাতার সভাপতি করে দাও মমতা।…মানুষ হিসেবে তাপস রায়কে ভাল বলায় আমায় সাসপেন্ড করা হয়েছিল। আজ দেখুন কে ভাল আর কে খারাপ।“
কুণাল জানান, দু’দিন আগেও তাঁকে ফোন করেছিলেন সুদীপ। বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, “দু’দিন আগে আমায় ফোন করে জিজ্ঞেস করে, মমতার বাড়িতে সিআইডি গিয়েছে, তুমি কোথায়? আমি বললাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির এখানেই আছি। বলল, নয়না যাচ্ছে। নয়নাদি আর এখানে এসে পৌঁছয়নি, তবে সুদীপদা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি পৌঁছে গিয়েছে”।













