বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জল্পনা সত্যি করে ভেঙে খান খান হয়ে গেল তৃণমূল (TMC)। রবিবার এনসিপিআই (NCPI) তথা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে গেলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষরা। এই আবহে প্রশ্ন উঠতেই পারে, কেন তৃণমূলের পৃথক শিবির তৈরি না করে অন্য দলের সঙ্গে মিশে গেলেন বিদ্রোহী সাংসদরা?
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! | (TMC)
জানা যাচ্ছে, আইনি জটিলতা এড়ানোর জন্যই অন্য দলে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। কারণ আইন অনুযায়ী, একটি দলের ভিতর দু’টি শিবির কিংবা ফ্রন্ট থাকতে পারে না। এমনটা হলে তাঁরা দলত্যাগ বিরোধী আইনে ফেঁসে যাবেন। সেই ঝক্কি এড়াতেই কাকলি, সুদীপরা অন্য দলে মিশে গেলেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এদিক থেকে দেখলে তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ও বলা যায়।
আরও পড়ুনঃ ঘুরে যাবে ‘খেলা’? অভিষেকের চিঠি নিয়ে স্পিকারের দ্বারস্থ ‘মমতাপন্থী’ কীর্তি-সাগরিকা
এই বিষয়ে বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “আমরা যারা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সাংসদ, তাঁরা আজ দলের প্রতি নিজেদের ক্ষোভ লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে জানিয়েছি। সেই সঙ্গেই ভিন্ন দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্তও জানানো হয়েছে। আমরা আলাদা বসার চিঠি দিয়েছি। আমাদের দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা। দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করব”।

এতদিন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, তৃণমূলের আলাদা শিবির তৈরি করে এনডিএ-কে সমর্থন করার আবেদন জানাতে পারেন দলের বিদ্রোহী সাংসদরা। তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলে আজ অন্য দলে মিশে গেলেন তাঁরা। এই দল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন করবে।
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরেই তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরিষদীয় দলের পর তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙন ধরতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যায়। সেই গুঞ্জন সত্যি করে রবিতেই এনসিপিআই-য়ে মিশে গেলেন বিদ্রোহী সাংসদরা।













