বাংলা হান্ট ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বঙ্গে (West Bengal) ইতিমধ্যেই পালাবদল ঘটেছে। যেখানে তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। যদিও, এই পালাবদলের পর থেকেই বাংলার অন্যতম হোর্ডিং কোম্পানির মালিক কেষ্ট সাহা, বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। গত ১৫ বছর ধরে তিনি রীতিমতো তৃণমূলের ‘দালালি’ করেছেন। তার একাধিক প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। ২০২৬ সালে ‘#No Vote to BJP’ এবং ‘Go Back Modi’ পোস্টার লাগিয়েছিলেন কেষ্ট সাহা। সেই সময়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে বেআইনি হোর্ডিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবো।’ এমনকি, হোর্ডিংয়ের কিংপিং কেষ্ট সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে বলেও জানা গিয়েছিল।
বঙ্গে (West Bengal) পালাবদলের পরেই ‘পাল্টি’-র চেষ্টা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হোর্ডিং মালিক কেষ্ট সাহার:
এই সম্পর্কিত খবরের প্রথম লিঙ্ক: Banglahunt Exclusive: দিয়েছিলেন ‘গো ব্যাক মোদী’ পোস্টার! পালাবদলের পর বেআইনি হোর্ডিং বন্ধের পদক্ষেপে বিপাকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কেষ্ট সাহা
যদিও, রাজ্যে পালাবদলের পর কেষ্ট সাহার কারুকৃৎ অ্যাডভার্টাইজিং (Karukrit Advertising) কোম্পানি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ছবি দিয়ে অভিনন্দন পোস্টার দেয়। সেখানে কারুকৃতের লোগো দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা এখন বিজেপি সরকারের পাশে আছে। কিন্তু, ইতিহাস অন্য কথা বলছে। মূলত, শ্যামবাজার এলাকায় কেষ্ট সাহা তৃনমূল নেতা ছিলেন। বেআইনি হোর্ডিং থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ববি হাকিম সহ একাধিক বিধায়কে সঙ্গে নিয়ে তিনি বেআইনি ভাবে হোর্ডিং ব্যবসা করেছেন বলে অভিযোগ।

সেই কারণেই কী রাজ্যে পালাবদলের পর হঠাৎ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি লাগিয়ে বেআইনি দুর্নীতিকে ঢাকার চেষ্টা করতে চলেছে কারুকৃৎ এন্ড কোম্পানি? সূত্রের খবর, বেআইনিভাবে থাকা প্রতিটি হোর্ডিং জোন ভাঙা হবে। এতদিন ধরে যে ট্যাক্স দেওয়া হয়নি সরকার তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে। প্রয়োজনে পুলিশের কাছে FIR করে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

এমতাবস্থায়, প্রশ্ন উঠছে তাহলে এবার কী রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলার মাটিতে বেআইনি হোর্ডিং ব্যবসা চালানো যাবে? জানা গিয়েছে যে, রাজ্যে শেষ ১৫ বছর ধরে যাঁরা তোলাবাজি করেছেন তাঁদের বেআইনি কাজকর্ম শেষ হবে এবং সেই পরিবেশ আর থাকবে না।
এদিকে, বর্তমান সরকারও চাইছে বেআইনি হোর্ডিং ব্যবসা বন্ধ করে ডিজিটাল বোর্ড লাগাবার জন্য। এতে পরিবেশও ভালো থাকবে এবং খরচও কম হবে। পরিবেশবিদদের দাবি বেশি ফ্লেক্স লাগালে এতে দৃশ্য দূষণ হচ্ছে। তাই বর্তমান সরকার দ্রুততার সঙ্গে বেআইনি হোর্ডিং রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
বিস্তারিত তৃতীয় পর্বে…














