LPG সিলিন্ডার ফেরত দিলেই মিলতে পারে ২০০০ টাকার বেশি! জানুন পুরো নিয়ম

Published on:

Published on:

Can get a refund of more than 2000 if you close your LPG Cylinder connection
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অনেকের বাড়িতেই এমন গ্যাস কানেকশন থাকে, যা আর ব্যবহার করা হয় না। আবার চাকরি বা অন্য কোনও কারণে এক শহর থেকে অন্য শহরে চলে গেলে পুরনো কানেকশনও ফেলে রাখা হয়। কিন্তু জানেন কি, সেই গ্যাস কানেকশন বন্ধ করলে সিলিন্ডার ও রেগুলেটরের জন্য জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাওয়া যায়? অনেক ক্ষেত্রে এই টাকার পরিমাণ ২ হাজার টাকারও বেশি হতে পারে।

এলপিজি সিলিন্ডার ফেরত (LPG Cylinder) দিলে মিলবে টাকা

নতুন এলপিজি (LPG Cylinder) কানেকশন নেওয়ার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে একটি সিকিউরিটি ডিপোজিট নেওয়া হয়। এই টাকা সিলিন্ডার ও রেগুলেটরের জন্য জমা রাখা হয়। অনেকেই মনে করেন এটি একবারের ফি। কিন্তু আসলে তা নয়। পরে যদি কেউ গ্যাস কানেকশন বন্ধ করে দেন এবং সিলিন্ডার-রেগুলেটর ফেরত দেন, তাহলে সেই জমা টাকাও ফেরত পাওয়া যায়।

অনেক গ্রাহক অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার সময় বা অন্য কোনও কারণে কানেকশন ছেড়ে দিলেও এই টাকা ফেরত নেন না। ফলে সেই টাকা গ্যাস সংস্থার কাছেই থেকে যায়। তবে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলে গ্রাহকরা এই অর্থ ফেরত পেতে পারেন।

৫ কেজির ছোট গ্যাস সিলিন্ডার ফেরত দিলে সাধারণত ৫০০ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাওয়া যায়। রেগুলেটর জমা দিলে তার জন্য জমা রাখা টাকার অংশও ফেরত দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ১৪.২ কেজির সাধারণ গৃহস্থালির এলপিজি কানেকশনের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা যে সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দিয়েছিলেন, সেই টাকাই ফেরত পান। সাধারণত এই পরিমাণ প্রায় ২,২০০ টাকা। উত্তর-পূর্বের কিছু রাজ্যে এই অঙ্ক প্রায় ২,০০০ টাকা। এছাড়া রেগুলেটরের জন্য জমা রাখা ১৫০ থেকে ২৫০ টাকাও ফেরত পাওয়া যায়।

কী কী কাগজ লাগবে?

গ্যাস কানেকশন সারেন্ডার করতে হলে সাবস্ক্রিপশন ভাউচার জমা দিতে হবে। কানেকশন নেওয়ার সময় এই কাগজ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ডোমেস্টিক গ্যাস কনজিউমার কার্ড (DGCC), গ্যাস সিলিন্ডার ও রেগুলেটরও জমা দিতে হবে। টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও দিতে হবে। সাধারণত একটি ক্যান্সেল চেক বা পাসবুকের কপি দিলেই কাজ হয়ে যায়।

কীভাবে ফেরত পাবেন টাকা?

প্রথমে নিজের গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এরপর সিলিন্ডার ও রেগুলেটর জমা দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে এজেন্সির কর্মীরাই বাড়ি থেকে সিলিন্ডার নিয়ে যান, যদিও তার জন্য সামান্য চার্জ লাগতে পারে। সব নথি ও সরঞ্জাম পরীক্ষা করার পর এজেন্সি একটি টার্মিনেশন ভাউচার দেয়। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

LPG Cylinder will you not get gas if you don't complete e-KYC major update for customers

আরও পড়ুনঃ অর্থ দফতরে হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রী! বাজেটের দিন শুভেন্দুর পদক্ষেপে চমক নবান্নে

তাই যদি আপনার কোনও পুরনো এলপিজি কানেকশন (LPG Cylinder) আর ব্যবহার না হয়ে থাকে, তাহলে সেটি নিয়ম মেনে বন্ধ করে জমা রাখা টাকাটি ফেরত নেওয়া যেতে পারে।