মমতার তৃণমূল নাকি ঋতব্রতর, কার পাশে কেষ্ট? এক উত্তরে তোলপাড়

Published on:

Published on:

Anubrata Mondal says he is still in TMC did not reveal which part
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দু’ভাগে ভেঙে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কালীঘাট তৃণমূল’, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘নতুন তৃণমূল’। এর মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) কোন পক্ষে? জবাবে জল্পনা বাড়ালেন বীরভূমের দাপুটে নেতা।

মমতা নাকি ঋতব্রত, কার পাশে কেষ্ট? | (Anubrata Mondal)

তৃণমূলের পুরনো ‘সৈনিক’দের মধ্যে একজন অনুব্রত। দলের জন্মলগ্ন থেকে সংগঠনে রয়েছেন। তবে এখন দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে জোড়াফুল শিবির। এই পরিস্থিতিতে কেষ্ট কোনদিকে? উত্তরে ধোঁয়াশা বজায় রাখেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩০০০ টাকা? বেকারদের ‘যুবশক্তি ভরসা’ প্রকল্প নিয়ে বড় আপডেট

এই দাপুটে তৃণমূল নেতা বলেন, “আমি পক্ষ-বিপক্ষ, নতুন-পুরনো বুঝি না। এখনও আমি তৃণমূলেই রয়েছি”। তাঁর কথায়, “সিপিএমকে খেদিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে এনেছি। জন্মলগ্ন থেকে সংগঠনে আছি। এখনও পর্যন্ত আমি তৃণমূল”।

দলের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে তৃণমূলে থাকার কথা জানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রয়েছেন কিনা তা স্পষ্ট করে বলেননি অনুব্রত। ফলে তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

Anubrata Mondal

এদিকে সোমবার নিউটাউনের একটি হোটেলে ঋতব্রতপন্থী ‘নতুন’ তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেখানে দলের নতুন ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি ঘোষিত হয়। সেই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বীরভূম জেলার দুই বর্তমান বিধায়ক কাজল শেখ, চন্দ্রনাথ সিনহা এবং দুই প্রাক্তন বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিৎ সিনহা।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঋতব্রতদের চাল ভেস্তে দিতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। সোমবারই সম্পূর্ণ ভিন্ন ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির তালিকা তৈরি করে নির্বাচন কমিশনে পাঠান তিনি। সেখানে চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতা, সহ সভাপতি হিসেবে সুব্রত বক্সী, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এছাড়া দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন যুগ্ম সম্পাদক, শুভাশিস চক্রবর্তী কোষাধ্যক্ষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মমতা শিবির ও ঋতব্রত শিবিরের তরফ থেকে কমিশনের কাছে দু’টি ভিন্ন দাবি জমা পড়লে, তারা কীসে স্বীকৃতি দেয় সেটা দেখার বিষয় হবে। এমনকি এই ইস্যু আদালত অবধিও গড়াতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।