বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদ থেকে টানটান লড়াই। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গেল বেঞ্চ থেকে এই জল গড়িয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ অবধি। এবার এই মামলাতেই বড় প্রশ্ন তুলল বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্ত ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ।
কী বলল হাইকোর্ট? | (Calcutta High Court)
বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করেনি হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। এরপর ওই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে বড় প্রশ্ন তোলে বিচারপতি গুপ্ত ও বিচারপতি সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুনঃ ‘আমরা যখন এক দলে ছিলাম, অনেক সাহায্য করেছেন’! শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মহুয়া
বিচারপতিদ্বয় বলেন, “বিরোধী দলনেতা না হলেও বিধায়ক হওয়ার সুবাদে মামলাকারী বিধানসভায় দলের মতামত জানাতে পারবেন। বিরোধী দলনেতা মানেই দলের অথবা সংগঠনের সর্বোচ্চ নেতা তো নয়”।
পাল্টা জোরালো সওয়াল করেন মামলাকারী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য প্রধান বিরোধী দল বাড়তি সময় পায়। এর পাশাপাশি বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে দলের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ও সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখারও সুযোগ প্রদান করা হয়। সেদিক থেকে বিরোধী দলনেতা পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গতকাল এই মামলার শুনানি হলেও হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ কোনও নির্দেশ দেয়নি অথবা পর্যবেক্ষণ জানায়নি। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে বলে খবর।
বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত এই মামলায় হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ জানিয়েছিল, আপাতত স্পিকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেননি। আগামী ২৮ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানা যায়। তবে তার আগেই সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গতকাল এই মামলার এক প্রস্থ শুনানি হয়েছে। শুক্রবার ফের মামলাটি শুনানির জন্য উঠবে বলে জানা গিয়েছে।













