আচমকা বন্ধ হাওড়ার ৪২ নম্বর বাস পরিষেবা! নিত্যযাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তি

Published on:

Published on:

Howrah-New Town bus service suddenly stopped due to owner worker dispute
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাওড়া থেকে বাসে চেপে রোজ নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যান হাজার হাজার মানুষ। কেউ রওনা দেন অফিসের উদ্দেশে, কেউ আবার যান কলেজ। তবে এবার হাওড়ারই (Howrah) একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস পরিষেবা আচমকা বন্ধ হয়ে গেল। মালিক-কর্মী বিরোধের কারণে স্তব্ধ হাওড়া-নিউটাউন (Howrah-New Town Bus) রুটের ৪২ নম্বর বাস।

হাওড়া-নিউটাউন রুটের বাস পরিষেবায় ধাক্কা | (Howrah-New Town Bus)

হাওড়ার দানেশ শেখ লেন থেকে নিউটাউন রুটে চলাচল করত ৪২ নম্বর বাস। জানা গিয়েছে, এই রুটে মোট ৩০টি বাস চলাচল করে। তবে মালিকপক্ষ ও কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘ মতবিরোধের কারণে আচমকা পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ২ ঘণ্টায় ৩৭৭-এর বেশি! কলকাতায় এত বেশি বাজ পড়ার কারণ জানেন?

বৃহস্পতিবার অফিস টাইমে বাস ধরতে এসে যাত্রীরা দেখেন বাস চলছে না। এর জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন তাঁরা। বাস বন্ধ থাকায় সকাল থেকেই দেখা যায়, নানা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছেন।

এই বিষয়ে বাসকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, অনেকদিন ধরে বেতন বাড়ানোর দাবি জানানো হচ্ছিল। তবে মালিকপক্ষের তরফে এই বিষয়ে কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সেই সঙ্গেই বেশ কিছু বাস অচল হয়ে পড়েছে ও অনেক গাড়ির বিমার মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। এইসব সমস্যাগুলির সমাধানের দাবি জানানো হলে মালিকপক্ষের তরফে বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

Howrah-New Town bus service suddenly stopped due to owner worker dispute

এক বাসকর্মী বলেন, “বহুদিন ধরে আমরা বেতন বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি। কিছু বাসের অবস্থা খারাপ, ইনস্যুরেন্স ফেল করেছে। বহুবার জানানো হলেও এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এইসব দাবি নিয়ে আলোচনায় বসা হলে মালিকপক্ষ হঠাৎ বাস চালানো বন্ধ করে দেয়”।

পাল্টা মালিকপক্ষের এক প্রতিনিধি কর্মচারীদের একাংশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর দাবি, কর্মীদের একাংশ নিয়মিতভাবে সময় মেনে বাস চালাচ্ছে না। নানা অজুহাতে পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বাসমালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এই নিয়ে অনেকবার আলোচনা হলেও কোনও সমাধান হয়নি। সেই কারণে বাস পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাসমালিক ও কর্মীদের মধ্যেকার এই বিরোধের জেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। রোজ এই রুটে বহু মানুষ যাতায়াত করেন। আচমকা বাস পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় তাঁরা ফাঁপরে পড়েছেন। যাত্রী ভোগান্তির দিকে নজর রেখে মালিক ও কর্মীপক্ষ আলোচনায় বসেন।