বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই রাজ্যে এসেছে অন্নপূর্ণা যোজনা। সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট থেকে একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (State Finance Minister Swapan Dasgupta)। বাজেট থেকে অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকলেও এই প্রকল্প নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
কেবলমাত্র ‘যোগ্য’দেরই অন্নপূর্ণা | Annapurna Yojana
সম্প্রতি বিধানসভায় বাজেট ঘোষণার অতিরিক্ত জবাবি ভাষণে অন্নপূর্ণা যোজনা প্রসঙ্গে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রেখেছেন। এটা কী ভিত্তিতে করা হয়েছে? লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কোনটি ঠিক কী বেঠিক তা নিয়ে নানা কথা চলছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল ইউনিভার্সাল স্কিম। যাতে আমার স্ত্রী-ও বলতে পারত আমার একটু পকেট মানি দরকার, নিয়ে নিত’।
এরপরই তিনি বলেন, ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার হল যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের জন্য। এটাই হল বড় পার্থক্য। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকে এটাই আলাদা দিশা’। তিনি বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আয় বা আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে কোনও কার্যকর বাছাই পদ্ধতি না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই অনেক অযোগ্য উপভোক্তাও সরকারি অনুদান পেয়েছেন, যাঁদের হয়তো সেই সহায়তার প্রয়োজন ছিল না।
উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পেয়েছেন। সরকারি অর্থ সীমিত, তাই তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন কেবলমাত্র ‘যোগ্য’ আবেদনকারীরাই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন: শেয়ার বাজারে এই পেনি স্টকে ১৩০ শতাংশের বৃদ্ধি! আপনার পোর্টফোলিওতে আছে নাকি?
তিনি আরও বলেন, নতুন সরকার জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি তহবিলের প্রতিটি টাকা যেন সঠিকভাবে খরচ হয় সেদিকে নজর রাখতে বিভিন্ন প্রকল্পের নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের খুঁজতে আধুনিক তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক যাচাই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।













