সরকারি বাসে আর ভাড়া নয়! ‘পিঙ্ক কার্ড’ তৈরির সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

Published on:

Published on:

Learn the easy way to make a 'pink card'‌ for free bus service
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রতিদিন কর্মস্থল, পড়াশোনা কিংবা বিভিন্ন প্রয়োজনের কারণে হাজার হাজার মহিলা সরকারি বাসে যাতায়াত করেন। তাঁদের আর্থিক স্বস্তি দিতে রাজ্য সরকার বিনামূল্যে বাসযাত্রার (Free Bus Service) সুবিধা চালু করেছে। এতদিন সরকারি বাসে উঠে মহিলাদের হাতে ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ তুলে দেওয়া হলেও এবার সেই ব্যবস্থাকে আরও ভালোভাবে কার্যকর করতে আনা হচ্ছে পিঙ্ক কার্ড (Pink Card)। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারি বাসে বিনামূল্যে ভ্রমণের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তাই আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে রাখা জরুরি।

কিভাবে বানাবেন পিঙ্ক কার্ড (Pink Card)?

রাজ্যে সরকার বদলের পর মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেন, এই পরিষেবাকে স্থায়ী রূপ দিতে চালু করা হবে পিঙ্ক কার্ড। কার্ডটি থাকলে বাসে ওঠার পর আর আলাদা করে টিকিট কাটতে বা ভাড়া দিতে হবে না।

রাজ্যের যে কোনও যোগ্য মহিলা নিজের এলাকার সরকারি প্রশাসনিক দফতরের মাধ্যমে এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করা হবে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বিডিও অফিসে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সংশ্লিষ্ট পুরসভা বা মিউনিসিপ্যালিটি অফিসে আবেদন করতে হবে। পাশাপাশি মহকুমা স্তরের এসডিও অফিস থেকেও আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

অফলাইনের পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতেও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এজন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্ধারিত অফিসিয়াল পোর্টালে ঢুকে পিঙ্ক কার্ড সংক্রান্ত আবেদন বিভাগে যেতে হবে। সেখানে প্রথমে মোবাইল নম্বর ও নাম ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে নির্ধারিত নথির স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা হওয়ার পর যে স্বীকৃতিপত্র পাওয়া যাবে, সেটি ডাউনলোড করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখা প্রয়োজন।

Learn the easy way to make a 'pink card'‌ for free bus service

আরও পড়ুন :‘সরকার হেরে না আসে’,আদালতে হার এড়াতে সরকারি আইনজীবীদের বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

পিঙ্ক কার্ডের জন্য আবেদন করার সময় প্রয়োজন হবে আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক ছবি ও সক্রিয় মোবাইল নম্বর। আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট দফতর সমস্ত তথ্য ও নথির সত্যতা যাচাই করবে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে যাঁদের আবেদন বৈধ বলে বিবেচিত হবে, তাঁদের নামে পিঙ্ক কার্ড ইস্যু করা হবে। এরপর সেই কার্ড দেখিয়েই রাজ্যের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা পাওয়া যাবে। তাই যাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে চান, তাঁদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে দ্রুত আবেদন সম্পূর্ণ করতে হবে।