বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শুক্রবার প্রাথমিক নিয়োগ মামলার (Primary Recruitment Scam) শুনানি হয়েছে। তবে এদিন আদালতে হাজিরা দেননি সিবিআইয়ের সর্বশেষ চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে নাম থাকা মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির অনুপস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারক।
মানিক হাজিরা এড়ানোয় ক্ষুব্ধ বিচারক | (Manik Bhattacharya)
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জমা দেওয়া সর্বশেষ চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে নাম ছিল মানিকের। সেই সঙ্গেই বীরভূমের নলহাটি ২ নং ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি বিভাস অধিকারী ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচিরও নাম ছিল।
আরও পড়ুনঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিষেককে আড়াল করছেন? অবশেষে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’
এদিন বিভাস ও রত্না দু’জনেই কলকাতার নগর দায়রা আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তবে উপস্থিত হননি মানিক। এই নিয়ে বিচারক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যদিও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
মানিক হাজিরা এড়ালেও এদিন আদালতে হাজিরা দিয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও আইনজীবী মারফত হাজিরা দেন। সিবিআইয়ের আগের চার্জশিটগুলিতে অভিযুক্ত হিসেবে সুজয়কৃষ্ণ, পার্থদের নাম ছিল।
এছাড়া এদিন আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া সর্বশেষ চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে তাঁর নাম ছিল না। তিনি আদালতে বলেন, চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ ভারতে যেতে চান।

গত বছর পুজোর সময় প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে, কীভাবে বীরভূম থেকে গাড়ি ভর্তি ঘুষের টাকা কলকাতায় আসত এবং পৌঁছে যেত পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক মানিকের ঠিকানায়।
চূড়ান্ত চার্জশিটে সিবিআইয়ের দাবি, বিভাগের কালো রঙের চারচাকা গাড়ি করে বিভিন্ন নথি ও বস্তা ভর্তি ঘুষের টাকা কলকাতায় আসত। এক-একটি বস্তার ভিতর নগদ ২০-৩০ লক্ষ টাকা থাকত বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।













