বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে ফের নতুন করে চড়ছে পারদ। রাজ্যে পালাবদলের পর সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ মতো সরকার পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু করলেও এখনও অনেকেই বঞ্চিত বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলা শুনানির জন্য উঠতে পারে। আর সেই শুনানিতে চাপ বাড়তে পারে সরকারের ওপর।
সরকারি কর্মীদের নজর ডিএ মামলার শুনানিতে | Dearness Allowance
রাজ্যে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত (গ্রান্ট ইন এইড) প্রতিষ্ঠানগুলির (স্কুল-কলেজ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, স্বয়ংশাসিত সংস্থা) অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, শিক্ষক, পেনশন প্রাপকদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র কোনো টাকাই এখনও পাননি বলে অভিযোগ। সেই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনতে পারে মামলাকারী মূল সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গ্রান্ট ইন প্রতিষ্ঠানগুলির অবসরপ্রাপ্তরা এখনও বকেয়া ডিএ আংশিকও পায়নি। এদিকে বকেয়া ডিএ যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে মানা হয়নি সর্বভারতীয় মূল্য সূচকের ভিত্তি। ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানিতে এই সমস্ত বিষয় আদালতের নজরে আনতে পারে কনফেডারেশন।
উল্লেখ্য, পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলায় তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের আরও নির্দেশ ছিল, বকেয়া ডিএ-র ১০০ শতাংশই মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। ২৫% মেটানোর পর বাকি অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে একটি কমিটিও গঠন করে দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন: ৮ সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগপত্র দিতে হবে! রাজ্যকে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, কোন মামলায়?
এর আগে শেষবার ডিএ মামলার শুনানিতে বকেয়া মেটানোর কাজ কতদূর হয়েছে তা নিয়ে নয়া রাজ্য সরকারের কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পি কে মিশ্রর বেঞ্চ। জানা যাচ্ছে, আগামী ২২ জুলাই পরবর্তী শুনানির নির্ধারিত রয়েছে। তবে তা কয়েকদিন এদিক-ওদিক হতে পারে বলে মামলাকারী সংগঠন জানিয়েছে। এবার আদালতে এই মামলা কোন মোড় নেয় সেদিকে নজর থাকবে সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের।













