অ্যাপ-ক্যাবকে টক্কর দিতে বাংলায় ‘ভারত ট্যাক্সি’, চালকদের জন্য বড় ঘোষণা শাহের

Published on:

Published on:

'Bharat Taxi' is now in West Bengal
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভারত ট্যাক্সি (Bharat Taxi) পরিষেবায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। কেন্দ্রের ‘ভারত ট্যাক্সি’ প্রকল্পের সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছেন এ রাজ্যের ট্যাক্সিচালকেরা। এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য, চালকেরা শুধুই গাড়ি চালাবেন না, বরং সংস্থার মালিকানাতেও তাঁদের অংশীদারিত্ব থাকবে। এক অনুষ্ঠানে এই প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ভারত ট্যাক্সি (Bharat Taxi) নিয়ে ঘোষণা অমিত শাহের

এদিন এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ জানান, বাংলায় চলা ট্যাক্সিগুলিকে ধাপে ধাপে ‘ভারত ট্যাক্সি’ প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। এই উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরও সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে একজন চালক ভবিষ্যতে নিজের গাড়ির মালিক হওয়ার পাশাপাশি সংস্থারও অংশীদার হতে পারবেন।

অমিত শাহ জানান, “আমরা ট্যাক্সি ড্রাইভারদের জায়গায় সারথীর ভাবনা নিয়ে এসেছি। সারথীকেই কোম্পানির মালিক বানিয়ে কোঅপারেটিভ ভারত ট্য়াক্সি চালু হয়েছে। বাংলায় যে ট্যাক্সি চলে তার সঙ্গে ভারত ট্যাক্সি জুড়ে যাচ্ছে। আজ এর মউ সাক্ষর হয়েছে বাংলার সরকারের সঙ্গে। কোনও সারথীকে আর ড্রাইভার হতে হবে না। তিনি যেমন গাড়ির মালিক হবেন, তেমনই ভারত ট্যাক্সি কোম্পানিরও মালিক হবেন।”

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন অমিত শাহ। সেই সময় তিনি বেসরকারি অ্যাপ-ক্যাব সংস্থাগুলির কমিশনভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেলের সমালোচনা করে দাবি করেছিলেন, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন চালকেরাই। তাঁদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যায্য আয়ের সুযোগ তৈরি করতেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে গুজরাটের ১৪টি শহরে পরিষেবা শুরু হয়।

'Bharat Taxi' is now in West Bengal

আরও পড়ুন : ৫০০ টাকা কাটমানির বদলে দেওয়া হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য

এই পরিষেবা বিস্তারের অংশ হিসেবে এবার পশ্চিমবঙ্গে প্রকল্প চালুর পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল।‌ ‘ভারত ট্যাক্সি’ প্রকল্পের মূল আকর্ষণ হল, যাত্রী যে ভাড়া দেবেন, তার সম্পূর্ণ অর্থই চালকের হাতে পৌঁছাবে। কোনও মধ্যস্থতাকারী সংস্থাকে কমিশন দিতে হবে না। শুধু তাই নয়, এই সমবায়ভিত্তিক মডেলে চালকেরাই প্ল্যাটফর্মের মালিকানার অংশীদার থাকবেন। কবে থেকে পশ্চিমবঙ্গে ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এবং প্রথম দফায় কোন কোন শহরে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলতে শুরু করে। রাজ্যের ট্যাক্সিচালকদের কাছে এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়ে ওঠে, সেটাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।