৫০০ টাকা কাটমানির বদলে দেওয়া হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য

Published on:

Published on:

annapurna yojana(49)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্যে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে চৰ্চা, বিতর্ক কোনোটারই শেষ নেই। জুন ও জুলাই মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা রাজ্যের মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে ঠিকই তবে সকল ‘যোগ্যরা’ টাকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। মহিলাদের অভিযোগ, ফর্ম পূরণ করেও যোগ্য উপভোক্তারা বঞ্চিত। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও দিকে দিকে চলছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ। এরই মধ্যে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢাললেন খোদ হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিস্ফোরক দলেরই বিধায়ক | Annapurna Yojana

অন্নপূর্ণা যোজনায় চলছে ফর্ম ফিলআপ। একই সাথে ‘যোগ্য’ বঞ্চিত আবেদনকারীদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই বা ভেরিফিকেশনের কাজ করেছে সরকার। অগাস্ট মাসে টাকা ঢুকবে কি না সেই অপেক্ষায় সকলে। এরই মাঝে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের দাবি, অন্নপূর্ণা যোজনায় নেওয়া হচ্ছে কাটমানি।

শনিবার মতুয়া সম্মেলনের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত অফিস, বিডিও অফিস এবং এসডিও অফিসে এখনও ঘুঘুর বাসা ভাঙেনি। দেখে দেখে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় নাম তোলা হচ্ছে। কাটমানি নেওয়া হচ্ছে।” মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। তাঁকে বিষয়টি দেখতে অনুরোধ জানান গেরুয়া বিধায়ক।

মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অসীম সরকার বলেন, “বিডিও অফিস, এসডি অফিস এবং পঞ্চায়েত অফিসগুলিতে এখনও ঘুঘুর বাসা রয়েছে। চটিচাটার দল এখনও চেয়ার দখল করে বসে রয়েছে। আপনারা ক্যাবিনেটে আছেন, এই দিকে লক্ষ করুন। এতে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে গিয়েছে”। তিনি আরও বলেন, “ওই ঘুঘুর বাসার দল আগেও যারা পেত (লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প) তাদের নাম আগে আগে তুলে দিয়েছে। আর আমাদের বিজেপির মায়েরা বাকি পড়ে গিয়েছে।”

annapurna yojana(42)

আরও পড়ুন: কলকাতা পুলিশে বড় বদলের ইঙ্গিত! ‘স্মার্ট পুলিশিং’ থেকে ATS মডেল, নিরাপত্তায় শাহের নতুন রূপরেখা

এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে অসীমবাবু অভিযোগ তুলে বলেন, “তৃণমূলের লোকেদের স্ত্রী-রা যারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেতে পারেন না তাদের নাম আগে তুলেছে। যারা বিজেপি পরিবার তাদের নামগুলি বাদ দিয়েছে।” এর পিছনে কিছু অফিসারদের হাত রয়েছে অভিযোগ তুলে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “ওদের কাটমানি খাওয়ার স্বভাব। এক্ষেত্রেও টাকা নিচ্ছে। বলছে আপনি তিন হাজার টাকা পাবেন, তাহলে আমাকে ৫০০ টাকা দিন।”