বাংলা হান্ট ডেস্ক : রেশন কার্ড (Ration Card) আছে মানেই যে সবসময় সেটি সক্রিয় থাকবে, এমনটা নয়। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রেশন পরিষেবা ব্যবহার না করলে এবার সেই কার্ডের স্ট্যাটাস বদলে যেতে পারে। সূত্রের খবর, দীর্ঘ সময় কোনও লেনদেন না হওয়া প্রায় ১.৫৮ কোটি রেশন কার্ডকে নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। ১ অক্টোবর থেকে এই কার্ডগুলি অচল হিসেবে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার রেশন কার্ড (Ration Card) কী বন্ধ হয়ে যাবে ?
সরকারি খাদ্যশস্যের সুবিধা যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের কাছেই যাতে পরিষেবা পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই উপভোক্তার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। একইসঙ্গে মৃত ব্যক্তির নামে থাকা কার্ড, অন্যত্র চলে যাওয়া গ্রাহক এবং ভুয়ো পরিচয়ে তৈরি কার্ড চিহ্নিত করাও এই প্রক্রিয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য।
কোন কার্ডকে ‘সাইলেন্ট’ হিসেবে ধরা হবে, তারও একটি মাপকাঠি রয়েছে। কোনও গ্রাহক যদি একটানা ছ’মাস বা তার বেশি সময় রেশন দোকান থেকে কোনও সামগ্রী না তোলেন, তাহলে তাঁর কার্ড এই শ্রেণিতে পড়তে পারে। এই ধরনের দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া কার্ডগুলিই পরবর্তী পর্যায়ে নিষ্ক্রিয় করার তালিকায় আসবে।
তবে কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে উপভোক্তার জন্য আর কোনও সুযোগ থাকবে না, এমনটা নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করলে কার্ড ফের সক্রিয় করার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ১ অক্টোবর থেকে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-কেওয়াইসি করার মাধ্যমে এই সুযোগ নেওয়া যেতে পারে।
এই যাচাইয়ে শুধু রেশন কার্ডের তথ্য দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। আধার এবং ভোটার কার্ডের তথ্যের সঙ্গে PDS বা পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমে থাকা তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন উপভোক্তা বাস্তবে রেশন পরিষেবা নিচ্ছেন, আর কোন কার্ড কেবল নথিতেই রয়েছে—সেটাই যাচাই করে বোঝার চেষ্টা চলছে। কারণ, এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁরা বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাওয়ার জন্য রেশন কার্ড তৈরি করলেও বাস্তবে PDS থেকে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করেন না। তাঁদের কার্ডও যাচাইয়ের আওতায় আসছে।

আরও পড়ুন : মিলন প্রধানের জামিনে আপত্তি রাজ্যের, হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা
দীর্ঘদিন ধরে রেশন না নেওয়া হলে কার্ডের বর্তমান অবস্থা একবার যাচাই করে নেওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কোন রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় হবে এবং কীভাবে পুনরায় সক্রিয় করা যাবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশিকাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।













