২৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA মামলার শুনানি, চাপ বাড়তে পারে সরকারের

Published on:

Published on:

dearness allowance(241)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে সরকারি কর্মীদের একটা অংশ খুশি হলেও বাকিরা নিরাশ। সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভও উগরে দিচ্ছে একাধিক কর্মচারী সংগঠন। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ মতো সরকার পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু করলেও এখনও অনেকেই বঞ্চিত বলে অভিযোগ। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে উঠতে চলেছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলা।

সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার দিনক্ষণ প্রকাশ্যে | Dearness Allowance

আগেই জানা গিয়েছিল চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলা শুনানির জন্য উঠতে পারে। এবার সেই মামলার দিনক্ষণ জানালেন মামলাকারী মূল সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। সমাজ মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ২৩/০৬/২৬ দুপুর ২ টোয় সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলা উঠবে।

এর আগে শেষবার ডিএ মামলার শুনানিতে বকেয়া মেটানোর কাজ কতদূর হয়েছে তা নিয়ে নয়া রাজ্য সরকারের কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পি কে মিশ্রর বেঞ্চ। সেই নিয়ে রাজ্যের ওপর চাপ রয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেল, আগামী ২৩ জুলাই পরবর্তী শুনানির নির্ধারিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ-র অংশ মেটাতে শুরু করেছে ক্ষমতায় আসার পরই। তবে রাজ্যে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত (গ্রান্ট ইন এইড) প্রতিষ্ঠানগুলির (স্কুল-কলেজ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, স্বয়ংশাসিত সংস্থা) অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, শিক্ষক, পেনশন প্রাপকদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র কোনো টাকাই এখনও পাননি বলে অভিযোগ। সেই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনতে পারে কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ।

dearness allowance(236)

আরও পড়ুন: ঝেঁপে আসছে ঝড়-বৃষ্টি! কিছুক্ষণেই প্রবল বর্ষণ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায়, আবহাওয়ার লেটেস্ট খবর

এই বিষয়ে সম্প্রতি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গ্রান্ট ইন প্রতিষ্ঠানগুলির অবসরপ্রাপ্তরা এখনও বকেয়া ডিএ আংশিকও পায়নি। বকেয়া ডিএ যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে মানা হয়নি সর্বভারতীয় মূল্য সূচকের ভিত্তি। ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানিতে এই সমস্ত বিষয় আদালতের নজরে আনতে পারে কনফেডারেশন। এই ইস্যুতে এবার রাজ্য সরকারের ওপর চাপ বাড়তে চলেছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।