বাংলা হান্ট ডেস্ক: গত সোমবার অর্থাৎ ২৬ জুলাই দেশজুড়ে পালিত হয়েছে কার্গিল বিজয় দিবস। ১৯৯৯ সালের এই দিনেই কার্গিলের যুদ্ধে পাকিস্তানকে পরাস্ত করে ভারত। এদিকে, এই বিশেষ দিনেই কমনওয়েলথ গেমসে পাক প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করলেন ভারতীয় বক্সার জাদুমণি সিং মান্ডেঙ্গবাম (Jadumani Singh Mandengbam)। মূলত, পুরুষদের ৫৫ কেজি ওজন বিভাগের ১৬ তম রাউন্ডের ম্যাচে পাকিস্তানি (Pakistan) বক্সার সুমামা রহমানকে (Sumama Rehman) ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন জাদুমণি। শুরু থেকেই রিংয়ে পাকিস্তানি বক্সারকে কোনও সুযোগই দেননি ভারতীয় বক্সার। যার ফলে ৩ রাউন্ড স্থায়ী ওই ম্যাচে পাক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অবলীলায় পরাজিত জাদুমণি। ৫ জন বিচারকই তাঁর পক্ষে একতরফা রায় দেন। জাদুমণি সিং ৩০-২৭, ২৯-২৮, ৩০-২৭, ২৯-২৮, ২০-২৭ ব্যবধানে একতরফাভাবে জয়লাভ করেন। এমতাবস্থায়, মঙ্গলবার কোয়ার্টার ফাইনালে জাম্বিয়ার মওয়েঙ্গো মওয়ালের মুখোমুখি হবেন। পদক অর্জন থেকে জাদুমণি এখন মাত্র একটি জয় থেকে দূরে রয়েছেন।
কার্গিলের শহিদদের প্রতি বিজয় উৎসর্গ জাদুমণি সিংয়ের (Jadumani Singh Mandengbam):
জানিয়ে রাখি যে, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত জাদুমণি সিং তাঁর এই বিজয় কার্গিলের যুদ্ধে শহিদ হওয়া ভারতের বীর সন্তানদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তিনি বলেন, ‘আমি এই বিজয় কার্গিলের বীরদের উৎসর্গ করতে চাই। আমি সবাইকে হারিয়ে ভারতের জন্য স্বর্ণপদক জিততে চাই।’

জাদুমণি ও সুমামার মধ্যে লড়াই: বক্সিং রিংয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বরাবরই তীব্র। জাদুমণি ও সুমামার মধ্যে লড়াইয়েও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। একেবারে শুরু থেকেই দুই বক্সার একে অপরের উদ্দেশ্যে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আক্রমণ করেন।
এই লড়াইটি দক্ষতা, গতি এবং কৌশলগত বিচক্ষণতার এক অনবদ্য প্রদর্শনী ছিল। যা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিল। ৩২ জনের পর্বে স্কটল্যান্ডের অ্যারন কালেনকে হারিয়ে মুগ্ধ করেছেন জাদুমণি সিং এবং সুমামা রহমানের বিরুদ্ধেও তাঁর দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রেখেছেন। তিনি এখন পদক জয় থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: Jio-র দৌলতে বাড়ির প্রতিটি কোণে সিগন্যাল পৌঁছে দেবে দেওয়াল! অবাক করবে স্মার্ট ওয়াল টেকনিক
সুমামা প্রথম রাউন্ডে বাই পেয়েছিলেন: উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানি বক্সার সুমামা রহমান উদ্বোধনী রাউন্ডে বাই পেয়েছিলেন এবং সম্পূর্ণ সতেজ হয়ে লড়াইয়ে নামলেও তিনি এর সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ হন। তিনি যদুমণি সিংয়ের বিরুদ্ধে সফল হতে পারেননি এবং ০-৫ ব্যবধানে হেরে যান। আর এই পরাজয়ের মাধ্যমে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে তাঁর সফরও শেষ হয়ে যায়।













