কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠ যাওয়ার প্ল্যান? দেখুন সস্তায় থাকা-খাওয়া ও দ্রুত পুজো দেওয়ার উপায়

Published on:

Published on:

Kaushiki Amavasya 2026 Tarapith Low Budget Hotel and How to save time during Puja
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বীরভূমের তারাপীঠ (Tarapith) শুধু একটা মন্দির নয়, সাধক বামাক্ষ্যপার সিদ্ধিলাভের পবিত্র স্থান। মা তারার এই সিদ্ধপীঠে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত আসেন মনস্কামনা পূরণের আশায়। তবে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় (Kaushiki Amavasya) ভক্তসমাগম অনেকটাই বেড়ে যায়। লক্ষাধিক মানুষ একত্রিত হন মায়ের দর্শনের জন্য। তাই এই বিশেষ তিথিতে যাঁরা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য সবচেয়ে বড় চিন্তা হয় থাকার জায়গা ও খরচ। তবে চিন্তা নেই আজকে আপনাদের কম খরচে থাকা খাওয়ার উপায় সম্পর্কেই জনাব।

কৌশিকী অমাবস্যা | Kaushiki Amavasya 2026

যেমনটা জানা যায়, ১২৭৪ বঙ্গাব্দে এই অমাবস্যায় বামাক্ষ্যপা মহাশ্মশানে শ্বেত শিমূল গাছের তলায় সিদ্ধিলাভ করেন। মা তারা দশমহাবিদ্যার দ্বিতীয় রূপেরই আরেক অবতার কৌশিকী। এই বিশেষ তিথিতে মা শুম্ভ-নিশুম্ভ অসুরদের বধ করেছিলেন, সেই থেকেই কৌশিকী অমাবস্যা নাম হয়। এবছর কৌশিকী অমাবস্যা পড়েছে ২৩শে ভাদ্র (ইংরেজি ১০ সেপ্টেম্বর)। তিথি শুরু হবে সকাল ১০:১০ মিনিট থেকে এবং চলবে পরের দিন অর্থাৎ ২৪শে ভাদ্র সকাল ৮:৫০ মিনিট পর্যন্ত। এই সময় মন্দির চত্বরে ব্যাপ ভিড় থাকে। তাই আগে থেকেই পরিকল্পনা না করলে হোটেল ভাড়া অনেক বেড়ে যায় নাহলে ঘর ভাড়ায় পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। অন্যদিকে ব্যাপক ভিড়ের জেরে খাবারও সমস্যা হতে পারে।

Tarapith-এ কম খরচে থাকা-খাওয়া

আপনি যদি তারাপীঠে সরাসরি মন্দিরের পাশে হোটেল ভাড়া নিতে চান তাহলে খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে এই সময়ে। তবে একটু দূরে বা ভিতরের গলিতে গেলে অনেকটা কমে ঘর ভাড়া পাওয়া যাবে। তারাপীঠ ব্রিজে পৌঁছে যে কাউকে জিজ্ঞেস করুন মুন্ডমালিনি তলার রাস্তায় ভারত সেবাশ্রমের রাস্তা। সেখানে খুবই কম টাকায় রাত্রিবাস করা সম্ভব। ওই রাস্তা দিয়ে একটু ভিতরে ঢুকলেই ছোট-বড় বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজ চোখে পড়বে। এগুলোর ভাড়া মূল সড়কের হোটেলের চেয়ে অনেক কম। আরেকটি বিকল্প হলো মন্দির থেকে কিছুটা দূরে তিনমাথার রাস্তা। সেখানেও সাশ্রয়ী রুম পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ রথের টানেই দুর্গোৎসবের শুরু, খুঁটি পুজো হতেই উৎসবের প্রস্তুতিতে কলকাতার পুজো কমিটিগুলির 

যাঁদের বাজেট আরও কম, তাঁরা রামপুরহাট স্টেশন থেকে সরাসরি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যেতে পারেন। সেখানে তিন-চারটি হোটেল রয়েছে যেখানে রাত কাটানো যায় অল্প খরচে। সকালে বাসে বা অটোয় তারাপীঠ পৌঁছে পুজো সেরে নেওয়া সম্ভব। এভাবে থাকলে মন্দির এলাকার ভিড় ও দামি হোটেলের চাপ এড়ানো যায়।

কিভাবে পুজো ও দর্শনের সময় বাঁচাবেন?

কৌশিকী অমাবস্যায় মন্দিরে লাইন অনেক লম্বা হয়। তাই সকাল সকাল পৌঁছানোই শ্রেয়। দ্বারকা নদীর জল মাথায় নিয়ে ফুল-ফল-মালা দিয়ে পুজো করার রীতি। ভিড় এড়াতে সকালের প্রথম ভাগে বা তিথির শুরুতে পৌঁছালে সময় বাঁচে। থাকার জায়গা আগে থেকে ঠিক করে রাখলে সারাদিন শুধু পুজো ও দর্শনে মন দিতে পারবেন।
এরপর খাওয়ার জন্য মন্দির এলাকায় অনেক ভোজনালয় ও হোটেল রয়েছে। সাধারণ ভাত-ডাল-তরকারি থেকে শুরু করে ভক্তদের জন্য বিশেষ ভোজনের ব্যবস্থাও পাওয়া যায়। সেখান থেকেই কম দামে ভালো খাবার পেয়ে যেতে পারেন।