বাংলাহান্ট ডেস্ক: বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ-র একটা অংশ পেয়ে গেলেও গ্রান্ট ইন এড এই কর্মচারীরা বকেয়া ডিএ-র একটি টাকাও পাননি। যা নিয়ে ক্রমশই ক্ষোভ বাড়ছিল। এই আবহে এবার রাজ্য সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অর্থাৎ গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগ নিল রাজ্য অর্থ দফতর।
বকেয়া ডিএ মেটাতে পদক্ষেপ রাজ্যের | Dearness Allowance
অর্থ দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন সরকারি দফতরের অধীনস্থ কর্মী যারা বেতন ও অন্যান্য প্রশাসনিক পোর্টালে বিল সাবমিট করার দায়িত্বে থাকেন অর্থাৎ আইটি কর্মীদের নির্দিষ্ট পোর্টালে এই মুহূর্তে অন্য কোনও আর্থিক বকেয়ার বিল জমা না দেওয়া হয় সেই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত দফতরকে তাদের নিজস্ব বেতন পোর্টালে বকেয়ার বিল প্রদানের জন্য আলাদা শাখা প্রস্তুত রাখতে হবে।
প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুতি শেষ হলেই অর্থ দফতর বকেয়ার বিল জমা করার পরবর্তী নির্দেশ পাঠাবে। গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের অর্থাৎ সরকার পোষিত বা অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধিবদ্ধ বোর্ড, কর্পোরেশন ইত্যাদির কর্মীদের বকেয়ার মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়াই এখানে লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আর্থিক সাহায্য করবে রাজ্য? দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে জোর চর্চা
পুজোর আগে ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় বর্ধিত ডিএ মেটানোর পাশাপাশি সরকারি অনুমোদিত এবং পোষিত সংস্থার কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, গ্রান্ট-ইন-এড কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ থেকে শুরু করে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে দেওয়া হয়েছিল চিঠিও। এবার প্রশাসন পদক্ষেপ করতে খুব দ্রুতই সেই জট কাটতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

















