বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে সাক্ষাৎ (Meeting with PM Narendra Modi) করতে সরকারি বাসভবনে সশরীরে হাজির হয়েছিলেন এনসিপিআই-এর (NCPI) সাংসদরা। অন্যদিকে কলকাতায় নবান্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন তথাকথিত ‘ভালো তৃণমূল’ তথা ঋতব্রতপন্থী একাধিক প্রতিনিধি। এই দুই সমান্তরাল বৈঠকের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই একযোগে ক্ষোভ উগরে দিলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
সাংবাদিক বৈঠক থেকেই রাজ্যের শাসক শিবিরকে কটাক্ষ করে কুণাল এদিন বললেন, ‘যারা রাজ্যের বিজেপি ঘোষিত স্পিকারের আশীর্বাদ ধন্য এবং যাতে বিজেপির প্রকৃত বিরোধিতা কেউ না করে সেজন্য ঢাল হিসাবে যাদের বিরোধীদলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তারা নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে দিল্লিতে বিশ্বাসঘাতক কিছু সাংসদ কখনও প্রধানমন্ত্রী কখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা কখনও মুখ্যমন্ত্রী তাদের কাছে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে অর্থ্যাৎ বিশ্বাসঘাতক শিবিরে কম্পিটিশন চলছে’।
‘একদিকে দিল্লি থেকে এমপিরা বলছেন আমরা শুভেন্দু বাবুর সঙ্গে বসে এই এই খেলাম। সে বিরাট সব পদ পঞ্চব্যাঞ্জনের লাঞ্চ। ফলে এখানকার যারা বিজেপির বি-টিম তারা বলছে দিল্লির বি-টিম তো লাঞ্চ করে ফেলেছে তাহলে আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো? তাহলে আমাদের সঙ্গে একটু দেখা করতে হবে। প্রেস্টিজ চলে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুনঃ ১৭ আগস্ট থেকে অন্নপূর্ণার টাকা দেওয়া শুরু! লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এরপরেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘SIR কিম্বা অন্যান্য কোন বিষয় নিয়ে যদি সরব হতে হয় তাহলে হাউসের মধ্যে কেন হননি? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছেন, আমরা সরব হচ্ছি আমাদের মতো করে। তার জন্য শুভেন্দু বাবুর কাছে যেতে হচ্ছে! অথচ বিধানসভার বিধায়ক হয়ে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের এই ইস্যুটা তো একদিনও বলতে দেখলাম না। আমরা প্রথম দিন থেকে বলছি SIR-এ এখনও এত জনের নাম বাইরে পড়ে আছে। কেন অবিলম্বে তাদের ন্যায় বিচার হবে না?
কটাক্ষের সুরে তৃণমূল বিধায়কের সংযোজন, ‘আর যেহেতু ওনারা যাচ্ছেন, ‘কাহি পে নিগাহে কাহি পে নিশানা । SIR তো শুধু বাহানা।’ নিজেদের ইকুয়েশনের জন্যই ওনারা যাচ্ছেন।’
বিস্ফোরক দাবি করে কুনাল আরও বললেন, ‘ওরা জানে ওদের মধ্যে অনেকে মমতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভুল স্বীকার করে বলছেন যে আমাদের ওই পুলিশের চাপে পড়ে আসতে হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত অসমর্থিত সূত্রে যে ১২ জন যাবে বলে ওনাদের শিবির থেকে নাম পাওয়া গিয়েছে তাদের মধ্যে সাতজনই তো আমাদের সাথে যোগাযোগ করে রেখেছেন। তাদের ভরসা দিতে বা ভয় দেখাতে ওনারা সঙ্গে রাখতে চাইছেন।’













