বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নয়া পে কমিশনের লক্ষ্যে একধাপ করে এগোচ্ছে সরকার। প্রতিশ্রুতি মতো রাজ্যে এসেছে সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission)। সম্প্রতি সপ্তম পে কমিশনের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ‘শর্তাবলি ও কার্যপরিধি’ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন (Nabanna)। যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত সরকারি কর্মীরা।
নয়া পে কমিশন গঠনের উদ্দেশে পরপর পদক্ষেপ | 7th Pay Commission
নয়া পে কমিশন নিয়ে রাজ্যের পদক্ষেপে খুশি বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতিও। সংগঠনের তরফে নেতা স্বপন মণ্ডল আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘মমতা বল্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পূর্বতন সরকার সরকারি কর্মচারী শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক বঞ্চনা যে শিখরে পৌঁছে দিয়েছে, আশা করি এই সরকারের আমলে সেই বঞ্চনার অবসান হবে।”
একইসাথে পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, “বাড়িভাড়া ভাতা থেকে ডিএ সব ক্ষেত্রেই বঞ্চনা করেছে মমতার সরকার। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই পে কমিশনের অফিসটা কোথায় হয়েছে সেটা কেউ জানতে পারছেন না কেন?’’ এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন, সরকারি কর্মীদের ডিএ নিশ্চিত করা হবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে। পাশাপাশি ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট থেকে নয়া পে কমিশনের ঘোষণা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যজুড়ে আজ বিশেষ কর্মসূচি, অভয়ার স্মৃতিতে সমস্ত হাসপাতালে বড় নির্দেশ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই লক্ষ্যে পদক্ষেপ করায় খুশি সরকারি কর্মচারীরা।













