পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধুর টাকা একসঙ্গে পাওয়া যায়? সরকারি নিয়ম কী বলছে জানুন

Published on:

Published on:

Can you get PM Kisan & Krishak Bandhu two Government scheme benefits together
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সময় নানা ধরণের সরকারি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দু’টি হল প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা তথা পিএম কিষাণ যোজনা ও কৃষক বন্ধু (PM Kisan & Krishak Bandhu)। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের এই দু’টি স্কিমের (Government Scheme) মাধ্যমে উপভোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে অনেকেরই প্রশ্ন, এই দুই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা কি একসঙ্গে পাওয়া যায়? এক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম কী বলছে জেনে নেওয়া যাক।

পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধু নিয়ে বড় আপডেট | (PM Kisan & Krishak Bandhu)

এই বিষয়ে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন অবধি পিএম কিষাণ যোজনা ও কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নির্ধারিত যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণ করলে একজন কৃষক দু’টি প্রকল্পেরই সুবিধা পেতে পারতেন। কারণ এর মধ্যে প্রথম প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় সরকারের ও দ্বিতীয়টি রাজ্য সরকারের।

আরও পড়ুনঃ আগস্টেও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না এলে কী করতে হবে? আবেদনকারীদের জন্য বড় আপডেট

মালদহ জেলা কৃষি দফতর সূত্রে খবর, বর্তমানে কৃষক বন্ধুর উপভোক্তাদের নথি যাচাই করা হচ্ছে। নতুন করে আবেদন করার বিষয়ে এখনও আলাদা কোনও নির্দেশিকা আসেনি। তবে পিএম কিষাণের জন্য অনলাইনে আবেদন করাই যায়।

জানা গিয়েছে, পিএম কিষাণ যোজনা ও কৃষক বন্ধু, দুই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেই যোগ্যতা ও নথিপত্র যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে কৃষক বন্ধুর উপভোক্তাদের নথি যাচাই চলছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় পিএম কিষাণ যোজনার উপভোক্তাদের নথিপত্র চাওয়া হয়নি। ফলে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দুই প্রকল্পের সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে কিনা তা জানা যাবে।

PM Kisan & Krishak Bandhu

এদিকে কেন্দ্রের পিএম কিষাণ যোজনা ও কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য এক হলেও দুই স্কিমের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্যও রয়েছে। পিএম কিষাণ যোজনার মাধ্যমে যোগ্য ভূমিমালিক কৃষক পরিবারকে বছরে মোট ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তিনটি কিস্তিতে এই অর্থ দেয় কেন্দ্র।

অন্যদিকে কোনও কৃষকের এক একর বা তার বেশি জমি থাকলে রাজ্যের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অবধি দেওয়া হয়। এক একরের চেয়ে কম জমি থাকলে জমির পরিমাণ অনুসারে নূন্যতম ৪ হাজার টাকা অবধি আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়। পাশাপাশি এই প্রকল্পে নথিভুক্ত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।