বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেখতে দেখতে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) তৃতীয় কিস্তির সময় এগিয়ে এল। আগামী ১৭ আগস্ট থেকে যোগ্যদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এই মাসেও প্রকল্পের (Government Scheme) টাকা না পেলে কী করতে হবে? এবার সেই নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিরাট আপডেট | (Annapurna Yojana)
প্রকল্পের টাকা পৌঁছনো নিয়ে নানা রকম জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়ে রাজ্যের অর্থ দফতরের সোশ্যাল রেজিস্ট্রি সিস্টেমের প্রশাসনিক নির্দেশিকা একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, পেমেন্ট আটকে যাওয়া, ঠিকানার অমিল সহ নানা সমস্যা মূলত পাঁচটি প্রশাসনিক রিপোর্টের মাধ্যমে চিহ্নিত করা যায়।
আরও পড়ুনঃ রায় পছন্দ না হওয়ায় বিচারপতিকে অশালীন মন্তব্য! আইনজীবীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হাইকোর্টের
এক্ষেত্রে বলে রাখি, এই বিষয়গুলি শুধুমাত্র প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ সরাসরি এই রিপোর্টগুলি দেখতে পাবেন না। আবেদনকারীর আবেদন যাচাই করে আসল সমস্যা কী হয়েছে তা নির্দিষ্ট আধিকারিকরাই বলতে পারবেন।
ফ্রিজড পেমেন্ট রিপোর্টঃ মূলত প্রশাসনিক কিংবা প্রযুক্তিগত কারণে আটকে থাকা টাকা প্রদানের বিষয়গুলি এই রিপোর্টের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়। ফলে স্ট্যাটাস চেকের সময় ‘পেমেন্ট ফেল’ দেখাচ্ছে মানেই আবেদন খারিজ নয়। আবেদনটি কোন পর্যায়ে আটকে রয়েছে সেই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া দরকার।
ইরেগুলার পেমেন্ট রিপোর্টঃ অনেক উপভোক্তার ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রথম কিস্তি পেলেও পরবর্তীতে টাকা পাননি। এর কারণ হতে পারে এই রিপোর্ট। টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হলে এই রিপোর্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
অ্যাড্রেস মিসম্যাচ রিপোর্টঃ বিয়ের পর ঠিকানা বদল হলে অনেক সময় আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের মতো নথিতে ঠিকানার অমিল থেকে যায়। এর জন্য এই রিপোর্টে নাম আসতে পারে। তবে ঠিকানার অমিল থাকলেও আবেদন খারিজ হয়ে যায় না। এসডিও, বিডিও কিংবা পুর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।
ডিডুপ্লিকেশন বেনিফিশিয়ারি রিপোর্টঃ একজন ব্যক্তির নামে একাধিক বেনিফিশিয়ারি আইডি বানানো হয়েছে কিনা তা খোঁজা এই রিপোর্টের কাজ। কোনও সময় ভুল করে এক ব্যক্তির নামে একাধিক বেনিফিশিয়ারি আইডি তৈরি হয়ে গেলে প্রশাসনের তরফে তা সংশোধন করা হয়।

স্কিম ইনক্লুশন রিপোর্টঃ সরকারের বেঁধে দেওয়া শর্ত অনুযায়ী আবেদনকারী যোগ্য হলেও অনেক সময় টাকা পাওয়া শুরু হয় না। নির্দেশিকায় একে সাইলেন্ট গ্যাপ বলা হয়েছে। উক্ত রিপোর্টের মাধ্যমে এই ধরণের বিষয়গুলিকে চিহ্নিত করা হয়।
এক্ষেত্রে কোনও যোগ্য আবেদনকারী অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে থাকলে এসডিও, বিডিও বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরে যোগাযোগ করতে পারেন। সঙ্গে রাখতে হবে যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথি। প্রশাসনের কাছ থেকে সঠিক তথ্য জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিলে জটিলতা কাটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













