বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে জুড়বে নেতাজির সংগ্রহশালা, বড় ঘোষণা করলেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ

Published on:

Published on:

Assembly Speaker Rathindranath Bose
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ স্বাধীনতা দিবসের আগেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে (Netaji Subhash Chandra Bose) উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করায় বিপাকে মুখে পড়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ  অনন্ত মহারাজ। এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াংয়ের গিদ্দা পাহাড়ে অবস্থিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সংগ্রহশালা (Netaji Museum Kurseong) অর্থ্যাৎ নেতাজি ইনস্টিটিউট ফর এশিয়ান স্টাডিজ পরিদর্শন করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মাননীয় স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু (Rathindranath Bose)। সেখান থেকেই এই সংগ্রহশালা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন তিনি।

কার্শিয়াঙের সংগ্রহশালা নিয়ে বড় ঘোষণা বিধানসভা স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান কান্ডারী তথা ভারত মাতার বীর সন্তান নেতাজীর নামাঙ্কিত এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে গোটা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জনিয়েছেন তিনি। স্পিকার মহাশয়ের কথায়, কর্শিয়াং-এর এই জাদুঘরটি দার্জিলিং পাহাড়ের সঙ্গে নেতাজীর সম্পর্ককে সংরক্ষণ করে। আগামীদিনে এই জাদুঘরটিকে আরও উন্নত করে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরা হবে।

Netaji Museum at Kurseong

কার্শিয়াংয়ে নেতাজি মিউজিয়াম ঘুরে দেখার সময় এদিন তিনি বলেছেন, নেতাজিকে নিয়ে এমন কোনো মন্তব্য করা উচিত নয় যা মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করে। নেতাজি কোনো সাধারণ নাম নয় তিনি আমাদের আবেগ, গর্ব ও স্বাধীনতার লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ এনআরএস হাসপাতালে নরসের রহস্য মৃত্যু! কোন পথে তদন্ত? জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নাম না করেই অনন্ত মহারাজের বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি এদিন বললেন, ‘যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, নেতাজি আমাদের মনে দৃঢ়ভাবে গেঁথে আছেন। নেতাজিকে মুছে ফেলা যায় না। নেতাজিকে নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়। যদি কেউ কোনো অন্যায় করে থাকে, সরকার অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।’

নেতাজি সম্পর্কে মন্তব্য করার সময় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আরও সতর্ক হওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘নেতাজী প্রত্যেক জনসাধারণের কাছে অপরিসীম শ্রদ্ধা ও আবেগের এক প্রতিমূর্তি। তাই অনেকেই তাঁকে দেবতার মতো পুজো করেন। তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করার সময়, সতর্ক থাকা প্রত্যেকেরই দায়িত্ব।’

আরও পড়ুনঃ ১৩৫ কেজি থেকে ঝরিয়েছেন ৪৬ কেজি ওজন! ‘রোগা হওয়ার’ কৌশল জানালেন নিতিন গড়করি

উল্লেখ্য ১৯৩৬ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নেতাজীকে গিদ্দা পাহাড়ে ব্রিটিশরা গৃহবন্দী করে রেখেছিল। উল্লেখ্য ১৯২২ সালে তাঁর বড় ভাই শরৎচন্দ্র বসু এই বাসভবনটি কিনেছিলেন। এখানে নেতাজীর বিছানা, আসবাবপত্র, কোট, জুতো, পোশাক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জওহরলাল নেহেরু ও এমিলি শেঙ্কলের সঙ্গে তাঁর চিঠিপত্র সংরক্ষিত আছে।