গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া DA নিয়ে বড় খবর! মনিটরিং কমিটিকে দেওয়া নথিতে নেই স্পষ্ট উল্লেখ

Published on:

Published on:

Grant-in-Aid DA
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) ইস্যুতে খুলছে জট। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে সম্প্রতি রাজ্য সরকার রোপা ২০০৯ (ROPA 2009)-এর বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে তাদের প্রস্তাব জমা দিয়েছে। যেখানে চার কিস্তিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের (Grant-in-Aid DA) নিয়ে কী অবস্থান? গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন।

গ্র্যান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত আপডেট | Grant-in-Aid DA

ইতিমধ্যেই সরকারি কর্মীদের ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ইতিমধ্যে একটা অংশের পিএফ তহবিলে এবং গ্রুপ ডি-দের ক্ষেত্রে স্যালারি অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। তার আগের ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের যে অংশ তা চারটি কিস্তিতে কর্মীদের দিতে মনিটরিং কমিটিকে প্রস্তাব রাজ্য সরকারের।

জানিয়ে রাখি, চার কিস্তির মধ্যে, ২০২৬ সালে একটি, ২০২৭ সালে দুটি এবং ২০২৮-এর জানুয়ারিতে শেষ কিস্তি দিতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা করেছে রাজ্য। রাজ্য সরকারকে কমিটি বলেছে, প্রথম কিস্তির টাকা ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বকেয়া ডিএ নিয়ে মালহোত্রা কমিটির কাছে জমা দেওয়া নথিতে গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের বকেয়া নিয়ে কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ-র একটা অংশ পেয়ে গেলেও গ্রান্ট ইন এইড এই কর্মচারীরা বকেয়া ডিএ-র একটি টাকাও পাননি।

Dearness Allowance

আরও পড়ুন: নিম্নচাপে সকাল থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু দক্ষিণবঙ্গে! টানা ৪৮ ঘণ্টা সতর্কতা: আজকের আবহাওয়ার খবরb

গত জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে রাজ্য সরকার তরফে জানানোও হয়েছিল, যে গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানগুলির বকেয়া ডিএ সরাসরি এই মামলার আওতায় পড়ে না। তবে তা সত্ত্বেও তারা এই অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও বকেয়া ডিএ মেটাতে ইচ্ছুক বলেও জানিয়েছে রাজ্য। যা নিঃসন্দেহে এই কর্মীদের জন্য স্বস্তির বার্তা।