অবশেষে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করল DA! KMC এলাকার পেনশনারদের বকেয়া নিয়ে স্বস্তির খবর

Published on:

Published on:

dearness allowance(273)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্য সরকার ধাপে ধাপে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটাতে শুরু করলেও বঞ্চনার অভিযোগ তুলে আসছিলেন KMC এলাকার পেনশনাররা। তাদের বকেয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারেবারে। এবারে সেই সকল অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনেকটা স্বস্তির খবর সামনে এল।

ব্যাঙ্ক গুলো ধীর গতিতে কাজ করায় বকেয়া পেতে দেরি | Dearness Allowance

ডিএ মামলার মূল মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কলকাতা পুরসভা এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া নিয়ে খবর দিয়েছেন।

একটি স্টেটমেন্ট শেয়ার করে মলয়বাবু লিখেছেন, “KMC এলাকার পেনশন হোল্ডারদের নিম্নক্ত ব্যাংকগুলো থেকে আপাতত ৭০৩৯ জন পেনশন হোল্ডারের বকেয়া ডিএ রিলিজ করেছেন। এবার পর্যায়ক্রমে বকেয়া ডিএ ছাড়া হবে বলে ব্যাঙ্ক গুলো জানিয়েছেন।”

তার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী,

KMC এলাকার এই নয়টি ব্যাঙ্কের পরিসংখ্যান দিয়ে গতকাল মলয়বাবু আরও লিখেছেন, “আজ (১৪/০৮/২৬) নবান্নে অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব মাননীয় প্রভাত কুমার মিশ্র মহাশয়ের সঙ্গে আমাদের নিম্নক্তবিষয়ের মধ্যে অন্যতম কেএমসিএলাকার বরিষ্ঠ পেনশন হোল্ডারদের বকেয়া ডিএ আজও কেন দেওয়া হচ্ছে না, এহেন প্রশ্ন তোলায় তিনি নিজ উদ্যোগে এজির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিম্নক্ত ব্যাঙ্কগুলোর তালিকাটি আমাদের হাতে তুলে দেন। এবং তিনি স্বীকার করে নেন যে ব্যাঙ্ক গুলো ধীর গতিতে কাজ করছে।”

উল্লেখ্য, KMC এলাকার পেনশনারদের বকেয়া নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তুলেছেন মলয়বাবু। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় হতাশ হয়ে মলয়বাবু বলেছিলেন, “KMC এলাকায় যাঁরা পেনশন হোল্ডার আজকের আমরা বলছি যে এতটা দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক, সরকার একটিবারও চিন্তা করছে না। আমরা সেই পয়লা জুন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি, এইভাবে বলেছি আমি, এই যে কলকাতা পৌর কর্পোরেশন (কেএমসি) এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২০০৮ সালের আগে তারা অবসর নিয়েছে। কারও বয়স ৮০, ৮৫, ৯০ এমনকি ১০০ ছুঁইছুঁই। বারবার বলছি। এখনও তারা একটি পয়সাও বকেয়া ডিএ পেল না।”

আরও পড়ুন: এখনও ফাঁড়া কাটেনি! কিছুক্ষণেই আবহাওয়ার বড় বদল দক্ষিণবঙ্গে, ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা জারি

সেই সময় মলয়বাবু বলেন, “এখন আবার শুনছি যে, সরকার ক্যালকুলেশন করে ব্যাঙ্কগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছে। ব্যাঙ্কগুলো এখন আবার পাঠাচ্ছে না। বিভিন্ন ব্যাঙ্কগুলোর মধ্যে যাতে সমন্বয়ের অভাব না দেখা যায় তাই তারা একসঙ্গে ক্রেডিট মেসেজ পাঠাবে। জানি না কতটা সত্যি কথা। কেএমসি এলাকায় যে কবে বকেয়া পাবে সেটা আমরা এখনও জানি না।” তবে এবার সরকার তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ধীরে ধীরে বকেয়ার অংশ ঢুকতে শুরু করেছে KMC এলাকার পেনশনারদের অ্যাকাউন্টে।