বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শেষবারও বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে (DA Case)। নতুন রাজ্য সরকার গঠনের পর পরপর দুবারের জন্য সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলা পিছনোয় কিছুটা হতাশ ছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আগামীকাল ১৮ আগস্ট ফের হাইভোল্টেজ এই মামলাটি উঠছে শীর্ষ আদালতে। বাংলার সরকারি কর্মীদের নজর এখন সেদিকে।
ডিএ মামলার সুপ্রিম শুনানি সোমে | Dearness Allowance
সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর স্পেশাল বেঞ্চেই এই মামলা উঠতে চলেছে। সূত্রের খবর, দুপুর দুটোয় শুনানি হবে সোমবার। এর আগের শুনানি পিছয়ে গেলেও বকেয়া ডিএ কীভাবে মেটানো হচ্ছে, কাজ কতটা বাকি সেই সমস্ত খতিয়ান তুলে ধরে মনিটরিং কমিটিকে সব পক্ষকে রিপোর্ট দিতে বলেছিল শীর্ষ আদালত। সেই মতো আগেই রিপোর্ট জমা পড়েছে।
শেষবার রাজ্য সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সময় চাওয়ায় আগামী ১৮ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য হয়। আগামীকাল অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত মনিটরিং কমিটি ওই রিপোর্ট দেখে বিস্তারিত বক্তব্য রাখতে পারবে বাদী-বিবাদী উভয়পক্ষই। উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যের নয়া বিজেপি সরকার সুপ্রিম কোর্টে একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়ে জানায়, বিপুল আর্থিক বোঝার কারণে ১০০ শতাংশ বকেয়া ডিএ কর্মীদের দেওয়া সম্ভব নয় সরকারের পক্ষে। বকেয়া ডিএ’র ৮৫ শতাংশ মেটাতে ইচ্ছুক বলে আদালতের অনুমতি চায় রাজ্য। বাকি ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার আর্জি জানানো হয়।
এদিকে বকেয়া ডিএ মেটাতে বেশ কিছুটা সময় চেয়েছে রাজ্য সরকার। ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়ার যে অংশ এখনও মেটানো হয়নি তা চারটি কিস্তিতে কর্মীদের দিতে প্রস্তাব করেছে রাজ্য সরকার। চার কিস্তির মধ্যে, ২০২৬ সালে একটি, ২০২৭ সালে দুটি এবং ২০২৮-এর জানুয়ারিতে শেষ কিস্তি দিতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা করেছে রাজ্য। সেই বিষয়টিও আগামীকালের শুনানিতে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অফলাইনের দিন শেষ? সরকারি কর্মীদের ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনতে বড় পদক্ষেপ নবান্নের
উল্লেখ্য, শেষ শুনানিতে সরকারি কর্মী সংগঠনের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। সওয়াল করেন করুণা নন্দী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যরাও। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।













