বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতার স্কুলগুলির মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) দায়িত্ব ইসকনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ১ অগাস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার পুরুলিয়ার স্কুলগুলির মিড ডে মিলের দায়িত্বও ইসকনকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি।
মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)
সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধনে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই মিড ডে মিল সংক্রান্ত ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি রাঁধুনিদের আশ্বস্ত করে বলেন, “নিশ্চিন্তে থাকুন, কারও কাজ যাবে না।“
আরও পড়ুনঃ কৃষকদের জন্য রাজ্যের উপহার! ৭৫ হাজার টাকা অবধি কৃষিঋণ মকুবের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন শুভেন্দু বলেন, “প্রাথমিকের শিশুরা যাতে ভালো খাবার পায়, সেই জন্য খাবারের বরাদ্দ ১০ টাকা করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। কলকাতায় ২ লক্ষ ৪৫ হাজার পড়ুয়া ইসকনের খাবার পাচ্ছে। বিরোধীরা বলেছিল, বিজেপি আসার পর ইসকনের প্রসাদ খাওয়াবে, ডিম কোথায়? আমরা যেমন ইসকনের শুদ্ধ খাবার দিচ্ছি, তেমনই সপ্তাহে দু’দিন ডিমের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।“
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবার পুরুলিয়ার স্কুলগুলির মিড ডে মিলের দায়িত্বও ইসকনকে দেওয়া হবে। তবে রাঁধুনিদের কারও কাজ যাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। একইসঙ্গে বলেছেন, “স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে সপ্তাহে দু’দিন পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে।“

ইসকনের হাতে মিড ডে মিলের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পর প্রচুর বিতর্ক হয়েছিল। ডিম বাদ পড়া নিয়ে সরব হয়েছিলেন অনেকে। অবশেষে সেসব বিতর্কে ইতি টেনে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, পড়ুয়াদের আলাদা করে ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। সার্বিকভাবে মিড ডে মিল বিতরণের দায়িত্বে ইসকন থাকলেও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদা করে ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করছে রাজ্য।
এছাড়া মিড ডে মিলের রান্নার কাজে যুক্ত কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলে শুভেন্দু বলেছিলেন, কোনও রাঁধুনির কাজ যাবে না। বরং ইসকনের রান্না ও খাবার পরিবেশনার কাজের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করা হবে। এদিন পুরুলিয়ায় দাঁড়িয়েও এই একই ঘোষণা করলেন তিনি।













