বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা যারা পাবেন না তাঁদের জন্য নতুন প্রকল্প এনেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনাতেও (Mukhyamantri Swasthya Bima Yojana) আয়ুষ্মান ভারতের মতোই প্রচুর সুবিধা পাওয়া যাবে। গত ১৬ অগাস্ট থেকে এই প্রকল্পের (Government Scheme) সূচনা হয়েছে। এবার এতে কীভাবে আবেদন করতে হয় জেনে নিন।
মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় আবেদন পদ্ধতি | (Mukhyamantri Swasthya Bima Yojana)
কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারতের মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনাতেও বছরে ৫ লাখ অবধি ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি মিলবে ১৯৫০ ধরণের রোগের চিকিৎসার সুযোগ। এর মধ্যে হাঁটু ও হিপ প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসাও রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়ে হয়রানি অতীত! রোগীদের সুবিধার্থে নতুন নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের
পরিবারভিত্তিক এই সরকারি প্রকল্পে বাড়ির প্রত্যেক সদস্যকে আলাদা স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডগুলি বিনামূল্যে ইস্যু করা হবে এবং সেটি হবে ডিজিটাল। তবে কার্ড পাওয়ার জন্য আধার বেসড ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক বলে খবর।
স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা বলছে, নির্দিষ্ট ক্যাম্প কিংবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় নাম নথিভুক্ত করার সময়ও আধার কার্ড ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কার্ড দরকার হবে।
জানা গিয়েছে, যেসব রাজ্যবাসী আয়ুষ্মান ভারত যোজনার অধীন আসেননি, তাঁদের যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। দরকার পড়লে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করা হবে। ভেরিফিকেশনে যদি দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট পরিবার সরকারের বেঁধে দেওয়া যাবতীয় শর্ত পূরণ করছে, তাহলে তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার অধীন আনা হবে।

এছাড়া জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার আবার জনকল্যাণ শিবির আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় আবেদনের ফর্ম পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অফলাইনের পাশাপাশি শীঘ্রই অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
রবিবার রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা চালুর পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এবার থেকে বাংলার প্রায় ৬ কোটি মানুষ কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি রাজ্যের প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার সুবিধা পাবেন। এই দুই প্রকল্পের সুবিধা গোটা দেশের ৩৮,৬০৪টি হাসপাতালে পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি।














