স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলেও মিলতে পারে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা! বড় নিয়ম স্পষ্ট করল রাজ্য

Published on:

Published on:

Ayushman Bharat Yojana and Swasthya Sathi important rule explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আয়ুষ্মান ভারত যোজনা (Ayushman Bharat Yojana) ও স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi), বর্তমানে রাজ্যে দুই প্রকল্পই চালু রয়েছে। ফলে রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে হাসপাতালগুলির কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন ছিল। এবার সেগুলি দূর করল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর তথা এসওপির মাধ্যমে যাবতীয় সংশয় দূর করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

আয়ুষ্মান ভারত যোজনা সংক্রান্ত বড় নিয়ম | (Ayushman Bharat Yojana)

স্বাস্থ্য দফতরের এসওপিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কোনও উপভোক্তা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলে প্রথমে দেখতে হবে তিনি আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কিনা। টিএমএস পোর্টালে যদি দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট রোগীর আয়ুষ্মান ভারত কার্ড প্রিন্ট হয়ে গিয়েছে, তাহলে হাসপাতালকে আয়ুষ্মান ভারতের অধীনেই তাঁর চিকিৎসা করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ আধার কার্ডে নাম-ঠিকানা ভুল? সর্বাধিক কতবার আপডেট করা যায়, UIDAI-এর নিয়ম জানুন

তবে পোর্টালে যদি কোনও রকম টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা যায়, তাহলে যথাযথ প্রমাণ ও স্ক্রিনশট আপলোড করে ফেসিং ইস্যু বিকল্পে ক্লিক করলে প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী অপশন আসবে। এক কথায়, যথাযথ তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীন চিকিৎসা হবে না।

এছাড়া কোনও রোগীর নাম আয়ুষ্মান ভারত যোজনার তালিকায় থাকলেও তাঁর কার্ড যদি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে, তাহলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা করানো যাবে। বায়োমেট্রিক অথবা ই-কেওয়াইসি বাকি থাকলে তা সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি ৭০ বছর বা ৭০ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আলাদা নথিভুক্তিকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

Ayushman Bharat Yojana

তবে কোনও রোগী যদি কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাওয়ার যোগ্য না হন এবং কোনও তালিকাতেই তাঁর নাম না থাকে, তাহলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার ফর্ম ফিল আপ করিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর অধীন তাঁর চিকিৎসা করানো যাবে।

চলতি অগাস্ট মাস থেকে রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা চালু হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল আমলের স্বাস্থ্যসাথীও আপাতত কয়েক মাস চলবে। এই তিন প্রকল্প একসঙ্গে চালু থাকায় চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে হাসপাতালগুলিতে কিছু সংশয় তৈরি হয়েছিল। এবার সেগুলি দূর করে দিল রাজ্য সরকার।