বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি সাংবাদিকদের সম্মুখীন হয়েছিলেন মমতাপন্থী তৃণমূলের নেতা কুনাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সেখানেই বিজেপির বিগত ২ মাসের পারফর্মেন্স নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। কি কি বললেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
মিথ্যে কেস দিয়ে ধরপাকড় করছে পুলিশ : কুনাল ঘোষ
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বা কোনো কোনও নেতা তাঁরা যে নির্দেশের কথা বলছেন এগুলো সব, কেউ মানে না তাঁদের কোনো কথা কেউ শুনছে না। বিজেপির তোলাবাজি, গুন্ডামি থেকে শুরু করে নেতৃত্ব পুলিশের অপব্যবহার করে তৃণমূল কর্মীদের ধরপাকড়, গ্রেফতার, মিথ্যে মামলা থেকে পার্টি অফিসে হামলা। এমনকি যাদের উপর হামলা হচ্ছে তাদের নামেই কেস দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তোলাবাজি থেকে দুর্নীতির রাশি রাশি অভিযোগ রয়েছে।
জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে বলতে হচ্ছে, যে ১৫ বছর তো পরের কথা ২ মাস বিগত ১৫ বছরকে টপকে গেছে। এখন সমস্যা হচ্ছে, শমীকবাবু বলছেন কিন্তু, তাঁর কথা নিজের দলের লোকেরাই শুনছেন না। আর ওদের দলের নেতাদের কোনো মাথা মুন্ডুও নেই।
সুকান্ত মজুমদারের মুখে শোনা যাচ্ছে, প্রকাশ চিক বরাইক অমুক, তমুক। একেবারে ভয়ংকর দুর্নীতির অভিযোগ ছিল ভোটের আগে। এখন তিনি বিজেপির সংসদ। সুতরাং এরা স্ববিরোধী, দিশাহীন, কয়েকজন নেতা নিজেদের ইমেজ বাঁচাতে দু চারটে কথা বলতে যাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের পার্টির লোকেরাই তাঁদের কথা শোনে না।
আরও পড়ুনঃ বাংলা ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের ১০০% কাজ দেবে ‘রোজগার গ্যারান্টি কার্ড’, জারি হল নির্দেশিকা
এরপর নভেম্বর মাসের পুর ইলেকশন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কুণাল বাবু জানান, আমাদেরও প্রস্তুতি যথেষ্ট, আমরাও প্রস্তুত। কিন্তু ওরা যদি গোটাটাই ব্যাকডোর হোমওয়ার্ক করতে যায়, ডিলিমিটেশন তাঁর মাথামুন্ডু বোঝা যাচ্ছে না! কোন ওয়ার্ডের কোনটা কেটে কার সাথে জুড়ছে? পুরোটাই বিজেপির স্বার্থ সুরক্ষিত করে। রেজাল্টে বিজেপির কোথায় ড্যামেজ আছে। সেটা মেকআপ করতে গেলে কোন এলাকার ভোট কেটে কোন কেন্দ্রে যুক্ত করবেন সেসব করছেন। কোনো কথাই শুনছেন না, উপরন্তু আমাদের কর্মীদের হ্যারাস করা হচ্ছে।
আমরা কনফিডেন্ট কলকাতা পুরসভার এখনও একই পরিস্থিতি। মানুষ কেন্দ্রের বিজেপির নীতি ও রাজ্যের বিজেপির নীতি দেখে ফেলছে। আমরা নিশ্চিত যে তৃণমূল কংগ্রেস কলকাতা পুরসভার ভোটে তৃণমূলের নতুন মেয়র শপথ করবে।













