১ মাসে ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি! চিনির দামে ফের ঊর্ধ্বগতি, জানুন নতুন রেট

Published on:

Published on:

34 percent increase in 1 month! Sugar prices rise again.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: চিনির দামে (Sugar Prices) ফের বৃদ্ধি! সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফেস্টিভ ডিমান্ডের আবহে দেশজুড়ে চিনির দাম প্রতি কেজিতে এক টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায়, ২৬ অগাস্ট অর্থাৎ বুধবার চিনির গড় খুচরো মূল্য হয়েছে ৬৫.০৫ টাকা। যা এর আগে ছিল ৬৩.৯৭ টাকা। ইতিমধ্যেই সরকার (Government) ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি চিনির মজুত রোধেও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তা সত্বেও, চিনির খুচরো দামে (Retail Price) বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

চিনির দামে (Sugar Prices) ফের ঊর্ধ্বগতি:

১ মাসের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি: জানিয়ে রাখি যে, উপভোক্তা বিষয়ক বিভাগের প্রাইস মনিটরিংয়ের তথ্য অনুসারে, চিনির গড় খুচরো মূল্য এক মাস আগে রেকর্ড করা প্রতি কেজি ৪৮.৬৮ টাকার দামের চেয়ে বর্তমানে ৩৪ শতাংশ বেশি। এটি এক বছর আগে প্রতি কেজি ৪৬.২৭ টাকার দামের স্তরের চেয়ে ৪১ শতাংশ বেশি।

34 percent increase in 1 month! Sugar prices rise again.

তবে, সরকার এবং চিনির শিল্প সংস্থাগুলি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলিতে এক্স মিলের দাম কমেছে। তবে, এই পতনের প্রভাব এখনও চিনির খুচরো মূল্যের দামে প্রতিফলিত হয়নি। ইতিমধ্যেই বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সচিব সঞ্জীব চোপড়া চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানিয়েছিলেন যে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে এবং চিনির কালোবাজারি ও বেআইনি মজুতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর চিনির মিল-গেটের দাম ১৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি কেজি ৫৫ টাকায় নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: ভারতে SBI-র চেয়েও বড় ব্যাঙ্ক তৈরির প্রস্তুতি? কী পরিকল্পনা সরকারের?

তিনি বলেন, মিল-গেট চিনির দাম কমতে শুরু করেছে। আগামী দিনগুলিতে আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, সরকারি তথ্য অনুযায়ী বুধবার পাইকারি চিনির দাম ও সামান্য বেড়েছে। যেটি বর্তমানে প্রতি কেজিতে ৬০.৩৬ টাকায় পৌঁছেছে। এক মাস আগে এই দাম ছিল প্রতি কেজিতে ৪৫.৩৪ টাকা। এদিকে, এক বছর আগে এই দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৩.০২ টাকা।

আরও পড়ুন: মুকেশ আম্বানির নতুন পরিকল্পনা! এই ব্যবসায়ে করতে চান প্রবেশ, সম্প্রতি ‘এন্ট্রি’ নিয়েছেন আদানিও

উল্লেখ্য যে, চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সরকার ডিলার এবং যারা বিপুল পরিমাণে চিনি ব্যবহার করে থাকে তাদের ক্ষেত্রে মজুতের সীমা ও আরোপ করেছে। ইতিমধ্যেই চিনি রফতানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।