বাংলা হান্ট ডেস্ক : পুরনো নাম নেই, চেনা প্রতীকও নেই। উপনির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে এগোতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শিবিরকে। সেই পরিস্থিতিতে দলের নতুন নামের প্রস্তাবেই নেত্রীর নামকে সামনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাঝেই নিজের দেওয়া কথা তুলে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দীর্ঘদিন পর কোন কাজ করতে চলেছেন মমতা (Mamata Banerjee)?
দীর্ঘ কয়েক মাস পর সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি বক্তব্য রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকেল চারটেয় সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে কালীঘাট তৃণমূল। সেখানে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করার কথা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মমতাও বক্তব্য রাখবেন বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ৪ মে একবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মমতা। সেই সময় সংবাদমাধ্যমের একটি অংশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি ‘গোদি মিডিয়া’র সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় সাংবাদিক সম্মেলন কিংবা সাক্ষাৎকার থেকে দূরেই ছিলেন তিনি। গত কয়েক মাসে নিজের বক্তব্য মূলত সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন মমতা। ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে দলের অবস্থান বা বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে মত জানিয়েছেন। সেখানে সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকে না। এই অবস্থার মধ্যেই এবার সাংবাদিকদের সামনে এসে বক্তব্য রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট শিবির।
উল্লেখ্য,নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনটি বিকল্প নাম পাঠানো হয়েছে, প্রতিটির মধ্যেই রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। প্রস্তাবিত নামগুলির মধ্যে রয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’ এবং ‘তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’। অর্থাৎ দলীয় পরিচয়ের সঙ্গে নেত্রীর নামকে সরাসরি জুড়ে রাখার পথেই হাঁটতে চাইছে কালীঘাট শিবির। দলের বক্তব্য, এই নাম কর্মী-সমর্থকদের পরিচিত রাজনৈতিক আবেগের সঙ্গেও যুক্ত। কালীঘাট তৃণমূলের বক্তব্য, “নেত্রীই আমাদের মুখ। দলের প্রত্যেকে মমতার সৈনিক। তাই তাঁর নাম থাকলে কর্মীদের আবেগ দলের সঙ্গে থাকবে।”

আরও পড়ুন :অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন না? ‘Approved’ স্ট্যাটাসের কারণ জানুন
উপনির্বাচনের আগে পুরনো দলীয় পরিচয় ব্যবহার করতে না পারায় নতুন নাম এবং প্রতীকের প্রয়োজন হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিশনের সিদ্ধান্ত জানার পরই কালীঘাট শিবির শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেয়। এবার সাংবাদিক বৈঠকে মমতা ও তাঁর শিবির ঠিক কী অবস্থান তুলে ধরে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।













