বাংলা হান্ট ডেস্ক: কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচন (Kolkata Municipal Corporation Mayor Election) প্রসঙ্গে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন শুরুতেই তিনি বললেন, ‘গতবারে অর্থাৎ এর আগে অর্থ্যাৎ পাঁচ বছর আগে ইলেকশন হয়েছিল ১৯ শে ডিসেম্বর। তো স্বাভাবিকভাবে সেই ডেট অনুসারে তার আগেই ইলেকশন করতে হবে। তার মধ্যে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যিনি মেয়র হবেন এবং যাঁরা অন্যান্য দায়িত্ব পাবেন অর্থ্যাৎ মেয়র পারিষদ বা অন্য দায়িত্ব তাঁরা শপথ নিতে পারবেন।’
মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা? জানালেন সুকান্ত মজুমদার
সুকান্ত মজুমদারের কাছে এদিন জানতে চাওয়া হয় মেয়র পদের প্রার্থী বাছাই এর ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে? জবাবে মন্ত্রী এদিন বললেন, ‘আমাদের প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য আমরা একটা এসওপি তৈরী করবো। সেই এসওপি অনুসারেই প্রার্থী বাছাই হবে।
আরও স্পষ্ট করে দিয়ে তিনি জনিয়েছেন, ‘অবশ্যই সমাজের সর্বস্তরের মানুষ, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ তথা এমন ক্যান্ডিডেটকেই করা হবে যার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই স্বচ্ছতা আছে। এই ধরনের ক্যান্ডিডেটদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং অবশ্যই তার সাথে বিজেপির প্রার্থী, বিজেপির সাথে বহুদিনের সম্পর্ক সেক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
আরও পড়ুনঃ ‘আমরা কনফিডেন্ট কলকাতা পুরভোটে আমাদের নতুন মেয়র শপথ গ্রহণ করবে’, সাংবাদিকদের জানালেন কুণাল
তবে একইসাথে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আগামী দিনে পার্টি ঠিক করবে। নট ইয়েট ফুললি ডিসাইডেড। আমি যদি বলি স্পেসিফিক্যালি আমরা একটা এসওপি তৈরি করব। সেই অনুসারে আমরা করব। আমাদের রাজ্য সভাপতি আছেন, আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আছেন পার্টির একটা স্ট্রাকচার আছে।’
একইসাথে তিনি এদিন বলেলন, ‘স্বাভাবিকভাবে আমাদের একটা কমিটি তৈরী হয়েছে। সেই কমিটি নীচ থেকে সবার সাথে আলোচনা করে নাম তুলে আনবে। তারপরে সেই প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া অনুসারে সর্বশেষে রাজ্য সভাপতির সম্মতি অনুসারে প্রার্থী হবে। তো স্বাভাবিকভাবে আমাদের যদি কেউ মনে করেন যে আমি প্রার্থী হয়ে গিয়েছি তাহলে তাকে পরে আফসোস করতে হবে। সে আফসোস করবে, কাঁদবে তখন। এই রাজ্যে বিজেপির কোনো শরিক দল নেই।’
সুকান্তবাবুর কথায়, ‘আমাদের রাজ্য সভাপতির বক্তব্য খুবই পরিষ্কার।আমরা কোন শরিক দল নিয়ে ভোটে লড়িনি। আমরা এই রাজ্যে একাই লড়েছি এবং এতগুলো সিট পেয়েছি । এখনও পর্যন্ত আমরা কোন শরিকি সিট শেয়ারিং-এর ব্যাপারে আলোচনা করিনি। এখনো পর্যন্ত আমার কাছে এই ধরনের কোন প্রস্তাবও আসেনি।’
এখনই স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও তিনি বলেছেন, ‘ভালো আর কালো এই দুটো হচ্ছে আপেক্ষিক। সেজন্য আপেক্ষিক বিষয় নিয়ে রাজনীতিতে কথা না বলাই ভালো। বা এরকম হতে পারে, আমরা বিধানসভা নির্বাচনে লড়লাম, তারপর নির্বাচন করে নিয়ে যারা সদস্য হলো। তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন কে মেয়র হবেন। এরকম হতে পারে। ‘
রাজ্য সভাপতির প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘শমীক বাবু সকলের সাথে আলোচনা করেই ঠিক করেছেন। আমার যতদূর জানা আছে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাথেও আলোচনা হয়েছে। এটা দলগত প্রচেষ্টা কোনো একজন ব্যক্তির কাজ নয়। আমার বিশ্বাস পৌরসভার লোগোতে তিনদিকে পদ্মফুল ও একদিকে স্বস্তিকা আছে, সেখানে সনাতনী মেয়র আগামীদিনে বসবে এবং তার সাথে এই পৌরসভা আবার তার হৃত গৌরব ফিরে পাবে।’













