বাংলা হান্ট ডেস্ক : অন্নপূর্ণা যোজনার আগাস্ট মাসের কিস্তির অপেক্ষায় রয়েছেন এখনও অনেক উপভোক্তা। অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে গেলেও, অনেকেই এখনও কিস্তির টাকা পাননি। তবে টাকা না ঢুকলেই যে আবেদন বাতিল হয়েছে, এমনটা নয়। আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডিবিটি কিংবা আবেদন যাচাইয়ের মতো একাধিক কারণে পেমেন্ট আটকে থাকতে পারে। তাই নতুন করে দুশ্চিন্তা করার আগে নিজের আবেদনের স্ট্যাটাস দেখে নেওয়াই প্রথম কাজ। স্ট্যাটাসে কী লেখা থাকলে কি করবেন জেনে নিন
অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা আটকে ?
প্রথমেই জানতে হবে আপনার আবেদনটি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে। ফলে কারও টাকা আগে এবং কারও টাকা পরে ঢুকতে পারে। প্রথমে দেখতে হবে DBT ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে কি না। কারণ, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। সেই ব্যবস্থায় সমস্যা থাকলে পেমেন্ট আটকে যেতে পারে।এছাড়াও আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যুক্ত না থাকলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। আধার কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি এবং অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনে দেওয়া নাম বা অন্যান্য তথ্যের মধ্যে অমিল থাকলেও টাকা পেতে বিলম্ব হতে পারে। আবেদন করার সময় ভুল কিংবা অসম্পূর্ণ নথি জমা দেওয়ার কারণেও পেমেন্ট আটকে যেতে পারে।
টাকা না পাওয়ার কারণ জানতে প্রথমেই অনলাইনে আবেদনটির বর্তমান স্ট্যাটাস পরীক্ষা করুন। সেখানে কী লেখা রয়েছে, তার উপর নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপ। Approved দেখালে বুঝতে হবে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই আবেদনের ভিত্তিতে টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া রয়েছে। Rejected লেখা থাকলে আবেদনটি অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে বিডিও অফিসে গিয়ে আপিল করা যেতে পারে।
আবার Pending at the BDO Office থাকলে বুঝতে হবে, আবেদনটির যাচাই এখনও শেষ হয়নি। Bank Account Invalid দেখালে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যের সঙ্গে আধার রেকর্ডের অসঙ্গতি রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। এমন ক্ষেত্রে পাসবুকের ফটোকপি বিডিও অফিসে জমা দেওয়া যেতে পারে। আর যদি Payment Pending লেখা থাকে, তাহলে সেই মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট আবেদনের জন্য টাকা এখনও ছাড়া হয়নি।

আরও পড়ুন : নেপালে ভয়াবহ পরিস্থিতি, ১৫০ ছাড়াল মৃতের সংখ্যা! খোঁজ নেই ৭৫০ জনের
অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তারা socialregistry.wb.gov.in-এ গিয়ে নিজেদের আবেদন সংক্রান্ত তথ্য দেখতে পারবেন। সেখানে প্রথমে জেলা নির্বাচন করতে হবে। এরপর রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP যাচাই সম্পূর্ণ করে স্ট্যাটাস দেখা যাবে। সব তথ্য ঠিক থাকা সত্ত্বেও টাকা না এলে স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করা উচিত। সেখানে গিয়ে আবেদনটির ভেরিফিকেশন ও পেমেন্ট সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য আবেদন করা যায়। পাশাপাশি সরকারি পোর্টালের মাধ্যমেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে।













