DA মামলায় আদালতের রায়কে ফের চ্যালেঞ্জ রাজ্যের, পাল্টা বড় পদক্ষেপ নিল সরকারি কর্মচারীরা

Published on:

Published on:

dearness allowance(299)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (Dearness Allowance) বা মহার্ঘ ভাতা মামলা এখনও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ নিয়ে এখনও জট পুরোপুরি খোলেনি। সরকার পোষিতদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ইস্যুতে চর্চা বাড়ছে। এরই মধ্যে পাঞ্জাবে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ সরকারের।

বকেয়া ডিএ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য | Dearness Allowance, Dearness Relief

পাঞ্জাবে ডিএ সংক্রান্ত এক মামলায় পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট ডিএ এবং ডিআর বকেয়া মেটানোর জন্য পাঞ্জাব সরকারকে ১৫ দিনের সময় দিয়েছিল। সরকারের করা আপিলগুলো খারিজ করে রাজ্য সরকারকে ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত বকেয়া ডিএ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের বিরোধীতা করে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে গেল সে রাজ্যের সরকার।

মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে প্রায় ১৪,১৯১ কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধ করার এই নির্দেশ সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব, এই দাবি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। এর আগে এই মামলায় শুনানিতে রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে পূর্ববর্তী রায় বহাল রেখেই ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছিল। যাতে আশার আলো দেখছিলেন সরকারি কর্মীরা। তবে এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য।

সর্বোচ্চ আদালতে দাখিল করা আবেদনে রাজ্য সরকারের যুক্ত, তাদের নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক তার কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত হারে রাজ্য কর্মচারীদের ডিএ প্রদান করা বাধ্যতামূলক নয়। পাঞ্জাব সিভিল সার্ভিসেস (সংশোধিত বেতন) বিধিমালা, ২০২১-এ ডিএ-র জন্য কোনো নির্দিষ্ট সূচক, সূত্র, হার বা ব্যবধান নির্ধারণ করা হয়নি। গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

dearness allowance(262)

আরও পড়ুন: অবিবাহিত-বিধবা-ডিভোর্সি মেয়েও পেতে পারে মা-বাবার পেনশন! তবে কখন? স্পষ্ট করল হাইকোর্ট

এদিকে পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকারি কর্মীরাও। দুই সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া ডিএ পরিশোধের জন্য পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশকে যে পাঞ্জাব সরকার চ্যালেঞ্জ করতে পারে, এই আশঙ্কায় রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা সুপ্রিম কোর্টে আগেভাগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন। কোনও সিদ্ধান্ত জানানোর আগে তাঁদের বক্তব্যও শুনবে আদালত। এবার পরবর্তীতে এই মামলা কোন মোড় নেয় সেদিকে নজর থাকবে সকলের।