৪০০০ পুলিশ ২০০ জনের দমকলবাহিনী, কৌশিকী অমাবস্যায় বিশাল আয়োজন তারাপীঠে

Published on:

Published on:

Special Arrangement in Maa Kali Temple Tarapith Birbhum for Kaushiki Amavasya
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে ছড়িয়ে থাকা ৫১ টি সতীপিঠের মধ্যে অন্যতম মা কালীর সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। মায়ের মন্দিরে ১০ই সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা ( Kaushiki Amavasya ) উপলক্ষে ধুমধাম করে কৌশিকী অমাবস্যা মহাপুণ্যোৎসব পালন করা হতে চলেছে।

কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে বিশাল আয়োজন তারাপীঠে

এই বিশেষ দিনে তারাপীঠের মা তারার দর্শন করতে বিপুল পরিমাণে ভক্ত সমাগম হয়ে থাকে। তাই এই বিরাট অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগে থেকেই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার উপর জোর দিয়েছে বীরভূম জেলা প্রশাসন।

প্রসঙ্গত গত মাসে এই মন্দির সংলগ্ন এলাকার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের জেরে মোট আটজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছছিল। ওই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এই প্রথম বিরাট ভক্ত সমাগমের সাক্ষী হতে চলেছে তারাপীঠ।

আরও পড়ুনঃ ‘দিদি লড়ে নিন আর একবার’, মমতাকে উপনির্বাচনে দাঁড়ানোর ডাক বিজেপি মন্ত্রী পূর্ণিমার

অন্যদিকে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে, অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরী পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রায় ২০০ জন দমকলকর্মী ও অগ্নিকাণ্ড রোধে ব্যবহৃত উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি বিশেষ ফায়ার রোবট টেন্ডার প্রস্তুত থাকবে। এখানেই শেষ নয় ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৫ জন সদস্যের একটি অর্জুন বাহিনী দুর্যোগ মোকাবেলা দল মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও দ্বারকা নদীর স্নান ঘাটগুলিতে সুরক্ষা জালের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।

থাকছে ৪০০০ পুলিশ, ২৭টি সহায়তা বুধ

জানা যাচ্ছে, বুধবার থেকে হোটেলগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা পরীক্ষা ও মহড়া শুরু হয়েছে এবং তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্পিডবোট ও উদ্ধারকারী ভ্যান মোতায়েন থাকবে। এপ্রসঙ্গে একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার জন্য মোট ২৭টি সহায়তা বুথ জুড়ে ৪,০০০ পুলিশ সদস্য কর্তব্যরত থাকবেন এবং তাদের সহায়তায় থাকবে মোট ৪০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ১১টি ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন নজরদারি, এছাড়াও কৌশলগত স্থানে থাকবে ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা।

কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে পূর্ব রেলের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত হাওড়া ও রামপুরহাটের মধ্যে একটি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। এবছর বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে ১০ সেপ্টেম্বর রামপুরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে তারাপীঠ মন্দির এলাকা পর্যন্ত যাতায়াতের পথে পুণ্যার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য বিশেষ সংযোজন হিসাবে থাকবে ‘ডিজিটাল পথনির্দেশ’।