বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর আগেই উপনির্বাচনের (By-Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। প্রসঙ্গত ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ভবানীপুর (Bhowanipore) এবং নন্দীগ্রাম (Nandigram) এই দুই জায়গা থেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচনে উভয় কেন্দ্র থেকেই জয়লাভ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে নন্দীগ্রাম ছেড়ে দিলেও ভবানীপুর তাঁর হাতে থাকে। সেইজন্য নন্দীগ্রাম আসন ফাঁকা রয়েছে। অন্যদিকে নওদা এবং রেজিনগর থেকে হুমায়ুন কবীর তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন এবং জিতেওছিলেন দুটি জায়গা থেকেই। তিনি রেজিনগর থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এবং নওদা তাঁর হাতে রয়েছে।
সাধারণ মানুষের প্রতীক পদ্মফুল : প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চট্টোপাধ্যায়
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূল এখন দুটি শিবিরে বিভক্ত। একটা কালীঘাট তৃণমূল এবং অপরটা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে কে পাবে এই জোড়া ফুলের প্রতীক।
এই আবহে সম্প্রতি বাংলা হান্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চট্টোপাধ্যায়। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “তৃণমূল কত ভাগে বিভাজন হবে সেটা জানার জন্য সাধারণ মানুষের নুন্যতম ইন্টারেস্ট নেই, আমার তো একদমই নেই। একটা হবে, দুটো হবে, পাঁচটা হবে। আমি এইটুকু জানি সাধারণ মানুষের প্রতীক পদ্মফুল, তাই বিজেপি জিতছে। সেখানে মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বিজেপি আবার বিধায়ক করছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে জিতিয়েছে আবার যে প্রার্থী হবেন তাকেও জেতাবে।”
আরও পড়ুনঃ অফিস টাইমে দুর্ভোগ, লাইসেন্স বাতিল উবের-ব়্যাপিডোর, আর মিলবে না ক্যাব-বাইক?
নন্দীগ্রাম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন। ভবানীপুর থেকেও আসন হাতছাড়া হয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে আবার কী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াবেন?
তখনই তৃণমূল সুপ্রিমোর উদ্দেশ্যে পূর্ণিমা চট্টোপাধ্যায় আহ্বান জানান, ‘দিদি লড়ে নিন আর একবার, আমরা চাই আপনাকে আবার একবার মাঠে দেখতে। লড়ে নিন, তৃতীয়বার রেকর্ড ফেল করাবে সাধারণ মানুষ আপনাকে, একেবারে গ্যারান্টি।’
প্রসঙ্গত কালীঘাট তৃণমূল শিবিরের তরফে বরাবরই দাবী করা হচ্ছে দলের কর্মীরা তাঁদের সাথে রয়েছেন। তাঁরাই তাঁদের নির্বাচনে জেতাবেন। কিন্তু পূর্ণিমা দেবী এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যাঁরা বাংলাকে ভালোবাসেন, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতিকে ভালোবাসেন, বাংলার ঐতিহ্যকে ভালোবাসেন তাঁরা কোনোদিন কিছুমতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকতে পারেন না।’ আর কি বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক ভিডিওতে।













