বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রায় ২৬ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে বড় রায় দিল ঝাড়খণ্ড হাই কোর্ট (High Court)। এক মহিলার বাড়িতে রাতে ঢুকে তাঁর পোশাক সরানোর চেষ্টা করেছিলেন এক যুবক। এতদিন সেই ঘটনায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা চলছিল। তবে হাই কোর্ট জানাল, শুধু পোশাক সরানো বা খুলে ফেলার চেষ্টা করলেই সেটিকে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা বলা যায় না। নিম্ন আদালতের সাজাও তাই বদলে দেওয়া হয়েছে।
High Court : ২৬ বছর পুরনো মামলায় বদলে গেল অভিযোগ
১৯৯৯ সালে ঝাড়খণ্ডে ওই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ছিল, এক যুবক রাতে এক মহিলার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা সফল হয়নি। এই মামলায় ২০০৬ সালে নিম্ন আদালত অভিযুক্তকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ঝাড়খন্ড হাই কোর্টে (High Court) আবেদন করেন অভিযুক্ত। মামলাটি শুনতে গিয়ে ঝাড়খণ্ড হাই কোর্ট নিম্ন আদালতের আগের রায় বদলে দেয়। ধর্ষণের অভিযোগের বদলে মহিলার শ্লীলতাহানি এবং তাঁর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি প্রদীপ কুমার শ্রীবাস্তব জানান, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে কোনও কাজ করা হলেও সেটি ধর্ষণের চেষ্টার পর্যায়ে পৌঁছেছে কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর পর্যবেক্ষণ, কোনও কাজ যদি ধর্ষণের সঙ্গে যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ না হয়, তাহলে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী সেটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বলা যায় না।
আদালত (High Court) আরও জানায়, অভিযুক্তের বক্তব্য থেকে তাঁর কাজের পিছনে ধর্ষণের উদ্দেশ্য ছিল এমনটা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে তাঁর আচরণ যে অশ্লীল এবং আপত্তিকর ছিল, সেটিও আদালত অস্বীকার করেনি।

আরও পড়ুনঃ পেনশন কোনও দয়া নয়, স্বামীর মৃত্যুর দিন থেকেই বিধবার অধিকার! জানাল সুপ্রিম কোর্ট
মামলা চলাকালীন অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই আট মাসের সাজা ভোগ করেছেন। তাই নতুন করে তাঁকে আর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না বলে জানিয়েছে ঝাড়খন্ড হাই কোর্ট (High Court) ।













