বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায় (Sumit Roy)। বৃহস্পতিবার তৃণমূল সাংসদের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার তিনি নিজের অপরাধ স্বীকারের পাশাপাশি বিশাল র্যাকেটের কথাও জানিয়েছেন বলে দাবি সিআইডির (CID)। শুক্রবার মেদিনীপুর আদালতে সুমিতকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে করা আবেদনে এই দাবি করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা।
অভিষেকের পিএ-কে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি | (Sumit Roy)
সিআইডির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন সুমিত নিজের অপরাধের কথা মেনে নিয়েছেন। সেই সঙ্গেই জানিয়েছেন, এই অপরাধের পিছনে একটি বৃহত্তর চক্র বা র্যাকেট রয়েছে। ওই বৃহত্তর র্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত বাকি সহযোগীদের তিনি শনাক্ত করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক তথা পিএ।
আরও পড়ুনঃ বাড়িতে গ্যাস ডেলিভারির সময় বাড়তি টাকা চাইছে এজেন্ট? কোথায় অভিযোগ জানাবেন জানুন
মেদিনীপুর আদালতে পেশ কথা নথিতে সিআইডির দাবি, অপরাধের সঙ্গে যুক্ত লেনদেন, টাকা বা মানি ট্রেল উদ্ধারে তদন্তকারীদের সাহায্য করতে তৈরি বলে জানিয়েছেন সুমিত। ইতিমধ্যেই বিএনএসএসের ১৮০ নম্বর ধারায় তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত, শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিষেকের আপ্তসহায়কের। বৃহস্পতিবার তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের পাশাপাশি রক্ষাকবচও খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রায় আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে হাজির হন সিআইডি আধিকারিকরা। সেখান থেকেই সুমিতকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সুমিতের আগাম জামিনের আবেদন ও রক্ষাকবচ খারিজ করার সময় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি ভি মোহনা ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ জানিয়েছিল, তাঁকে সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তদন্তে ঠিকমতো সাহায্য করেননি। এরপর তাঁর রক্ষাকবচ খারিজ করে দেওয়া হয়। ফলে সুমিতকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে আর কোনও আইনগত বাধা ছিল না। এরপরেই অভিষেকের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি।













