গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারীদের বকেয়া DA নিয়ে বড় পদক্ষেপ! সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গেল চিঠি

Published on:

Published on:

dearness allowance(312)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বরাবরই বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন রাজ্যের সরকারপোষিত ও অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা। তাদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) নিয়েও জট। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের ডিএ ধীরে ধীরে মিটিয়ে দিচ্ছে রাজ্য। তবে ‘বঞ্চিত’ গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারী, সরকার পোষিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীরা। তারা কি আদৌ ডিএ পাবেন? এই নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে কর্মীদের একাংশ।

বকেয়া ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি | Dearness Allowance

অক্টোবর মাসে পুজো। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মাথায় রেখে সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া মিটিয়ে দিতে পদক্ষেপ করেছে। ইতিমধ্যেই একটা অংশের বকেয়া DA, DR ঢুকে গিয়েছে অ্যাকাউন্টে। কেন সরকারপোষিত ও অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা বাকি রয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছেন এই কর্মীদের একাংশ। চিঠিতে দ্রুত বকেয়া মহার্ঘভাত মেটানোর দাবি জানানো হয়েছে।

৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিক্ষকদের বকেয়া DA নিয়ে বার্তা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ডিএ আপনাদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়নি, মালহোত্র কমিটি যা বলবে মেনে নেব।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানেন দীর্ঘ দিন ধরে বকেয়া ডিএ-র লড়াই চলছে। আগের সরকার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কিছুটা দিতে বাধ্য হয়েছে, আমরা এসে সরকারি কর্মচারী ও অবসরকালীন ভাতা প্রাপকদের অনেকটা দিয়ে দিয়েছি।” একইসাথে শিক্ষকদের বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়নি, সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। আমাদের সরকারের নীতি খুব পরিষ্কার। মলহোত্র কমিটি যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা মেনে নেব।”

একইসাথে তিনি আরও বলেন, “আমরা হিসাব করে দেখেছি যদি ডিএ দিতে বলে, এরিয়ার নিয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে শিক্ষক- শিক্ষিকাদের হাতে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেয় বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী সমিতি।

dearness allowance(306)

চিঠি প্রসঙ্গে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ইন্দু মলহোত্র নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট গঠিত মনিটরিং কমিটির মূল কাজ ছিল মোট কত টাকা বকেয়া ডিএ দিতে হবে, তা নির্ধারণ করা। কোন সময় মেনে সেই টাকা দেওয়া হবে, তা ঠিক করা আর রাজ্য সরকার ঠিক মত টাকা দিচ্ছে কি না, তা পর্যায়ক্রমে নজরদারিতে রাখা। সেই বিষয়ে যাচাই করা।

আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর বেধড়ক মারধরে BJP কর্মীর মৃত্যু? ৫ বছর পর কঙ্কাল তুলে ময়নাতদন্ত, সন্দেশখালিতে ফের চাঞ্চল্য

তিনি বলেন, মনিটরিং কমিটির কাজ ডিএ দেওয়া হবে কি হবে না, সেই সুপারিশ করা নয়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে সমস্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাদের। তা হলে আজ কেন কমিটির প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে? এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।