বাসে উঠলেই ২০ টাকা? পুজোর পর ভাড়া বাড়ানো নিয়ে বড় ইঙ্গিত পরিবহণমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে বাসভাড়া (Bus Fare) বাড়ানো নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি বাস মালিকদের দাবি, বর্তমান ভাড়ায় বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানালেন, দুর্গাপুজোর পর বাসভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে। তাঁর মতে, ভাড়া অনেক আগেই বাড়ানো উচিত ছিল।

পুজোর পর বাসভাড়া (Bus Fare) বাড়বে?

সোমবার ময়দান টেন্টে পরিবহণ দফতরের আধিকারিক এবং বেসরকারি বাস মালিকদের সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন পরিবহণমন্ত্রী। ‘জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট’, ‘সিটি সাবআরবান সার্ভিস’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রতিনিধিরা বৈঠকে ছিলেন। বৈঠকে অর্জুন সিং বলেন, ভাড়া (Bus Fare) বাড়ানো হলে যাত্রীদের পরিষেবাও উন্নত করতে হবে। রাস্তায় আরও ভালো বাস চালানোর পাশাপাশি এসি বাস পরিষেবা বাড়ানোর কথাও বলেন তিনি। যেসব সরকারি পরিবহণ সংস্থা বড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছে, তাদেরও আগে ভাড়া বাড়ানো উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

বৈঠকে বাসের উপর জরিমানা, এ রাজ্য ও দেশের অন্য জায়গার মধ্যে সড়ক টোল বা মাশুলের পার্থক্য-সহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী সমস্যাগুলি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি পি এন বসু। বাস অপারেটরদের জন্য এককালীন সহায়তা প্যাকেজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকার কোনও নিশ্চয়তা দেয়নি।

বর্তমানে স্টেজ ১-এর জন্য সরকার নির্ধারিত বাসভাড়া ৭ টাকা। কিন্তু অভিযোগ, বেসরকারি বাসে অনেক সময় ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। পি এন বসুর দাবি, ২০১৮ সাল থেকে ভাড়ার কাঠামোয় কোনও পরিবর্তন হয়নি। ২০২৬ সালে পুরনো ভাড়ায় বাস চালানো আর সম্ভব নয়। তাই খরচ সামলাতে প্রথম ধাপের ভাড়া (Bus Fare) ২০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বাস মালিকদের বক্তব্য, ডিজেলের দাম লিটারপিছু ১০০ টাকার বেশি। এর সঙ্গে বাসের রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বেড়েছে। তাই বর্তমান ভাড়ায় বাস চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ‘বাহন’ সংক্রান্ত বকেয়া জরিমানায় এককালীন ছাড় দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন পি এন বসু।

Arjun Singh announced all bus conductors will have to wear body camera now

আরও পড়ুনঃ ছাদ সংস্কারের নামে পুরো বাড়ি গুঁড়িয়ে নতুন বহুতল! মালিকের জেল বহাল হাই কোর্টে

এদিকে সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে (Bus Fare) যাতায়াতের কারণে যাত্রী কমেছে বলেও দাবি বাস মালিকদের। এই পরিস্থিতিতে অনেক বেসরকারি বাস মালিক রুট বদলানোর পরিকল্পনা করছেন। বর্তমানে কলকাতার রাস্তায় প্রায় ৩৫০০টি বাস চলছে। কোভিডের আগে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০০০।