বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিজেপিকে আটকাতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে জোটের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে তৃণমূল নেত্রীর সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে হাত শিবির। এরপরেই কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে জাতীয় কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে আরও কোনও জোটে থাকবে না তাঁর দল।
কংগ্রেসের জন্য দরজা বন্ধ করলেন মমতা! | (Mamata Banerjee)
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। বিজেপিকে রুখতে এই দুই আসনে জোটের প্রস্তাব দিয়ে দিল্লিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে ফোন করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর সেই জোট প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দেয় হাত শিবির। সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল তৃণমূলের এক সাংসদকে জানান, স্থানীয় স্তরে বাংলার দলীয় কর্মীরা এই প্রস্তাব মানতে নারাজ।
আরও পড়ুনঃ মোদীর জন্মদিনে মেগা উপহার! সকাল সকাল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট
এরপরেই মমতা জানান, “ভবিষ্যতে সংসদের ভিতরে বা বাইরে জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আর কোনও জোট বা রাজনৈতিক সমঝোতায় থাকবে না তৃণমূল কংগ্রেস।“ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর।
শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, “কংগ্রেস যদি শুধু তাঁদের স্থানীয় নেতাদের কথাতেই চলে, তাহলে সংসদেও তাঁদের সঙ্গে একযোগে চলার কোনও বাধ্যবাধকতা তৃণমূলের নেই।“

এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “এখন দু’টি কেন্দ্রে আগে আমাদের প্রার্থীকে সমর্থন করুক তৃণমূল। এখান থেকে শুরু হোক। আগামীদিনে আরও অনেক লড়াই হবে। তখন দুই দলের জোট নিয়ে দেখা যাবে।“
এদিকে আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি, তৃণমূল, কংগ্রেস শিবির। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে বিজেপি টিকিট দিয়েছে হাসি রানি রথ ও শাখারফ সরকারকে। এই দুই কেন্দ্রে কালীঘাট তৃণমূল যথাক্রমে সঞ্চিতা প্রধান দে ও রবিউল আলম চৌধুরীকে দাঁড় করিয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের নন্দীগ্রামের প্রার্থী ভূমি আন্দোলনের নেতা মিলন প্রধান ও রেজিনগরের প্রার্থী জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি।













