বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক এবং দলের নাম আপাতত ব্যবহার করা যাবে না। বৃহস্পতিবার রাতে এমনই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুই শিবিরকে অন্য প্রতীক এবং অন্য নাম নিয়ে লড়তে হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও (Mamata Banerjee)। সূত্রের খবর, পরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারেন তিনি।
রাতেই ৩টি প্রতীক বেছে কমিশনে জানাল মমতা (Mamata Banerjee)-শিবির
বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ আপাতত এই প্রতীক বা ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ব্যবহার করে ভোটে লড়তে পারবে না তৃণমূলের দুই শিবির। কমিশন দু’পক্ষকেই বিকল্প নাম ও প্রতীক বেছে নিতে বলেছে।
শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে সেই নাম ও প্রতীক কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছিল। তার আগেই অবশ্য কাজ সেরে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শিবির। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার মধ্যেই তিনটি বিকল্প প্রতীক বেছে কমিশনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, সামনেই রেজিনগর এবং নন্দীগ্রাম, দুই কেন্দ্রেই উপনির্বাচন। এই দুই আসনে কালীঘাট-শিবির ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে। প্রতীক নিয়ে এই সমস্যার কারণে সেখানে মনোনয়নের স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়াও আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই দেরি না করে রাতেই বিকল্প প্রতীক জানিয়ে দেয় মমতা-শিবির।
কমিশনের কাছে যে প্রতীকগুলি এখনও খালি রয়েছে, সেখান থেকেই প্রত্যেক শিবিরকে তিনটি প্রতীক বেছে নিতে হবে। মমতা-শিবির রাতেই নিজেদের পছন্দ জানিয়ে দিয়েছে। তবে ঋতব্রত-শিবির এখনও প্রতীক চূড়ান্ত করেনি। তারা জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যেই কমিশনকে বিকল্প প্রতীকের কথা জানাবে।

আরও পড়ুনঃ ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন, সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে নয়া বেতন কমিশন
কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে কালীঘাট-শিবির। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের রায়কে অবৈধ বলে দাবি করেছেন। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও (Mamata Banerjee) এই সিদ্ধান্তে আপত্তি রয়েছে। আপাতত কমিশনের নিয়ম মেনে বিকল্প প্রতীক বেছে নিলেও পরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারেন তিনি।













