‘জেরার প্রয়োজন নেই, যে মামলায় ইচ্ছা তোলা যায়…’ হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে বিস্ফোরক সজল ঘোষ

Published on:

Published on:

Sajal Ghosh says Humayun Kabir Can be arrested in any Case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ উপনির্বাচনের মুখে সরগরম বঙ্গ রাজ্য রাজনীতি (West Bengal Politics)। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এই দুই কেন্দ্রই এখন রীতিমত পাখির চোখ বাংলার শাসকবিরোধী উভয় পক্ষের। এই পরিস্থিতিতে টানা সাড়ে চার ঘন্টা পুলিশের জেরার মুখে পড়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। এবার তাঁকে নিয়েই কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)।

হুমায়ন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ সজল ঘোষের!

বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে বরাবরই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের জন্য একাধিকবার নজরে এসেছেন হুমায়ুন। আর সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন তার পুলিশি জেলা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর প্রসঙ্গে সজল ঘোষ প্রশ্ন তুললেন, ‘ওকে জেরা করা হচ্ছে নাকি ও থানাকে জেরা করতে গেছে। ওর ক্ষোভের কথা বলবে সেটা তো আলাদা বিষয়। ওকে যদি জেরা করা হয় তাহলে ওকে প্রশ্ন করা হবে। ও ওর মনের ভাব জানাবে কেন? ‘

এখানেই শেষ নয় হুমায়ুন কবীরকে আরও কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে সজল ঘোষের দাবি, ‘হুমায়ুন কবীরের নামে কেস করতে, কিংবা হুমায়ুন কবীরকে কাস্টডিতে নিতে জেরা করার প্রয়োজন হয় না। হুমায়ূন কবীরকে, যেদিন যে মামলায় ইচ্ছা তাকে তোলা যায়। ওর শুধু মুখের ভাষায়। আর সেগুলো কিন্তু ও ঘরের অন্তরালে বলে না। ওর মুখের ভাষা গুলো কিন্তু সবসময় ব্যবহৃত হয় ক্যামেরা দেখলে। অতএব ওকে গ্রেপ্তার করতে এত জেরা করার কি দরকার আছে? তুমি কেন বলেছিলে? কখন বলেছিলে এগুলো তো গ্রেপ্তার করার পরেও জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।’

আরও পড়ুনঃ জেলবন্ধী নন্দীগ্রাম কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান, ‘মিথ্যে মামলা’ বলে ভোট চাইলেন স্ত্রী অর্পিতা

প্রশ্ন করা হয় হুমায়ুন কবীরকেকে গ্রেফতার করা উচিত? জবাবে সজল ঘোষ স্পষ্ট বললেন, ‘১০০% ৭০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ করবে । তারওপর বলেছে ১০ টা লাশ পড়ে যাবে। কত বড় ষড়যন্ত্র সেটা জানতে হবে তো? দশটা লাশ পড়ে যাবে সেটা ১০ টা থেকে বাড়বে কিনা, আর দশটার নিচে হবে না কেন? এগুলো তো জানতে হবে। যে ষড়যন্ত্রটা কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। ওকে ইমিডিয়েট গ্রেফতার করা উচিত।’

সজল ঘোষ একইসাথে এদিন দাবি করেছেন, ‘ওনার বলার অনেক ফোরাম আছে। উনি বলছেন আমি মুসলিমদের নিয়ে নেমে যাব। এটা সাম্প্রদায়িক উস্কানি নয়? এই কথায় কি গ্রেফতার করা যায় না? বাবরি মসজিদের কোটি কোটি টাকা। ইটগুলোও নাকি বেচে বেচে এখন খাচ্ছে। যথেষ্ট, এদের গ্রেপ্তার করার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত সহৃদয়।’

প্রসঙ্গত হুমায়ূন কবীর বারবার দাবি করছেন, তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে কোন রাখঢাক না রেখে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় সজল ঘোষ বললেন,’ ও হচ্ছে একেবারে সতীলক্ষ্মী। ও এখনও, আমি কালকে পর্যন্ত একটি মিডিয়ার সামনে ওকে বলতে শুনলাম আমি বেশ করেছি। ওনার বক্তব্য হচ্ছে যে দশটা লাশ পড়ে যাবে এটা বলেছি আমি কোন ভুল বলিনি। মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব এটা কেমন কথা। দশটা লাশ পড়ে যাবে এটা এক ধরনের খারাপ কথা আর মুসলমানদের নিয়ে নেমে পড়বো এটা তো বড় সাম্প্রদায়িক কথা।’