বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই একাধিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে এসেছেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় (Sarbori Mukherjee)। আর এবার যাদবপুর কেন্দ্র থেকে বিরোধীদের মিছিল থেকে শুরু করে তৃণমূলের প্রতীক হাতছাড়া হওয়া একাধিক ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি নেত্রী।
তৃণমূলের প্রতীকহারা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক শর্বরী মুখোপাধ্যায়
তৃণমূল প্রতীক হারা, প্রসঙ্গে যা বললেন, ‘প্রায় দু-আড়াই হাজার লোকের মিছিল, কিন্তু সবাই মিলে সরিয়ে সেই মিছিল থেকে জায়গা করে অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেওয়া হল। এইটাই বিজেপি, এইটাই বিজেপির গণতন্ত্র। আমরা দেখেছি বিরোধীরা মিছিল করছে। করতে পারছে এটা বিজেপির গণতন্ত্র। ‘
অতীতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বললেন, ‘মনে আছে আপনাদের ২০২১ সাল পোস্ট পোল ভায়োলেন্স এমন জায়গায় পৌঁছেছিল প্রায় ৩৫০ এর ওপর কার্যকর্তা খুন। কত মায়ের কোল খালি হয়ে গিয়েছিল, কত বোনের সিঁদুর মুছেছিল। আমরা দেখেছিলাম কত পরিবার হাহাকার করেছিল। আমরা দেখেছিলাম কত পরিবার তাদের বাড়ির ওপর দিয়ে বুলডোজার চলেছিল। আমাদের ছেলেরা কেউ বাইরে বেরোতে পারতো না।’
আরও পড়ুনঃ ‘এক বছরেই মানুষের স্বপ্নপূরণ করব!’ কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়েই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী
তারপরেই তিনি আরও বললেন, ‘কিন্তু এইটা বিজেপি যে, এত মার খাওয়ার পরেও পিঠ পেতে মার খেয়েও তাদের মেরুদন্ড ভাঙেনি। তারা আবার রুখে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছে। এবং এইটাই বিজেপির গণতন্ত্র। যে বিজেপি যাদবপুরে জেতার পরেও বিরোধীরা মিছিল করছে। এইটা বিজেপি।’
শর্বরী দেবীর আরও দাবী, ‘মিথ্যে বলা ছাড়া ওদের আর কোন উপায় নেই । একে তো নিজেরা, নিজেদের জায়গা নিয়েই সংকটে। অস্তিত্ব সংকটে এদের। কোন তৃণমূল? ফুটবল তৃণমূল না খাম তৃণমূল? কোন তৃণমূল বালিশ তৃণমূল নাকি চটি তৃণমূল? তাই নিয়েই এরা ব্যতি ব্যস্ত ফলে এদের নিজেদের মধ্যে অহী-নকুল সম্পর্ক।’
শর্বরী মুখোপাধ্যায় আরও বললেন, ‘যে ওয়ার্ডের মধ্যে দিয়ে আপনারা যাচ্ছেন সেই ওয়ার্ডের প্রাক্তন বিধায়ক মলয় মজুমদার, এবং ছিয়ানব্বই নম্বর ওয়ার্ডের যিনি কাউন্সিলর ছিলেন বসুন্ধরা গোস্বামী তাদের অহি নকুল সম্পর্ক।এই গোটা এলাকা জানে। আপনারা যে কোনো রাস্তায় জিজ্ঞাসা করুন, যে কোনো ফুটের দোকানে জিজ্ঞাসা করুন। সবাই বলবে মলয় মজুমদারের সাথে বসুন্ধরা গোস্বামীর অহি নকুল সম্পর্ক। এদের নিজেদের কোন বন্ডিং নেই। কোনো ইউনিটি নেই।’
একইসাথে বিজেপি নেত্রীর দাবী, ‘আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের বলি, আজকে আমরা দেখলাম বসুন্ধরা গোস্বামী ১০৯ নম্বার ওয়ার্ডে কুখ্যাত ক্রিমিনাল রাজু বিশ্বাস তারা কেন বাড়িতে ঢুকতে পারছে না তার জন্য তারা হায় হায় করছে। বলছে আমাদের কার্যকর্তারা বাড়িতেও ঢুকতে পারছে না। তার মানে মেনে নিলেন রাজু বিশ্বাস বন্দুক হাতে জন্মদিনের কেক কাটা। এরা কেন বাড়ি ঢুকছে না তাই নিয়ে হায় করছে ওরা।’














