বিশ্বকাপ জয় নয়, BCCI-এর সামনে ভারতীয় দলের পরবর্তী বড় লক্ষ্য ঠিক করে দিলেন গম্ভীর!

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ওডিআই সিরিজের মাঠে নামতে চলেছে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team)। আগামী বিশ্বকাপের (2027 ODI World Cup) আগে প্রস্তুতির জন্য এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) ছেলেদের কাছে। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ভারতীয় দলের পরবর্তী আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য এর মধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) সামনে তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধান কোচ।

ওডিআই বিশ্বকাপের প্রস্তুতিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন গৌতম গম্ভীর। কিন্তু এই ফরম্যাটের পাশাপাশি তিনি এই মুহূর্তে ভারতীয় দলকে কি করে ফের একবার টেস্টের মঞ্চে বিশ্বসেরা গড়ে তোলা যায় তা নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজটা যে একেবারেই সহজ হবে না সেই সম্পর্কেও তিনি খুব ভালো ধারণা করে নিয়েছেন।

পরপর দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় কে বিরাট বড় কোনও কৃতিত্ব হিসেবে মানতে নারাজ গম্ভীর। তার মতে কোন দেশকে যদি ক্রিকেট বিশ্বে সেরা হতে হয় তাহলে শুধুমাত্র সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বড় টুর্নামেন্ট জয় যথেষ্ট নয়। তাহলে তাকে বৃহত্তর ফরম্যাটে অর্থাৎ টেস্ট ফরম্যাটে ধারাবাহিক সাফল্য পেতে হবে।

আরও পড়ুন: ভারত মাঠে নামার আগে রোহিত, কোহলিকে নিয়ে বিস্ফোরক গম্ভীর! করলেন মারাত্মক মন্তব্য

গম্ভীর এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, টেস্ট ক্রিকেটে শক্তিশালী একটি দেশই সামগ্রিকভাবে ক্রিকেটে শক্তিশালী দেশ হিসেবে গণ্য হয়; বিষয়টি উল্টো নয়। টি-টোয়েন্টিতে শক্তিশালী হলেই কোনো দেশকে ক্রিকেটে শক্তিশালী বলা যায়, এই ধারণায় আমি কখনোই বিশ্বাসী নই। তাই ‘রেড বল’ বা টেস্ট ক্রিকেটই আমাদের কাছে এখনো অগ্রাধিকার পাচ্ছে।”

আরও পড়ুন: শীর্ষস্থানে নিজের অবস্থান মজবুত করতে মরিয়া শুভমান! সেরা ১০-এ ঢুকতে চান রোহিত, কোহলিও

ভারতীয় দল সাম্প্রতিক অতীতে টেস্ট ফরম্যাটে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গম্ভীর বলেছেন, “ইংল্যান্ড সিরিজের পর থেকে আমরা মোটামুটি ভালো টেস্ট ক্রিকেটই খেলেছি। তবে আমি এটা বলছি না যে আমাদের দল গঠনের প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে গেছে; কারণ টেস্ট ক্রিকেটে যে ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। বিশেষ করে রোহিত, বিরাট ও অশ্বিনের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বিদায়ের পর তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যস্থান পূরণ করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ।”