অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পেতে দরকার হচ্ছে ২০০২ সালের নথি? বঞ্চিতদের সতর্ক করে বার্তা প্রশাসনের

Published on:

Published on:

Annapurna Yojana
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বর্তমানে রাজ্য সরকারের হিট স্কিম অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। বাংলায় বিজেপি আসার পর জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্প। মাসে মাসে ৩০০০ টাকা করে মিলছে এই প্রকল্পে। সেপ্টেম্বর মাসেও প্রতিশ্রুতি মতো ঢুকেছে টাকা। দেড় কোটিরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয়েছে টাকা। তবে এখনও বহু মহিলারা বঞ্চিত বলে অভিযোগ। আর এই নিয়েই ঘোলা হচ্ছে জল। প্রতারণার ফাঁদ ফেলছে অসাধু লোকজন।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সক্রিয় দালালচক্র | Annapurna Yojana

অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন জানিয়েও ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। বীরভূমেও জেলাজুড়ে মহিলাদের ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি প্রকল্পের টাকা না পাওয়া নিয়ে। ব্লক অফিস ও পুরসভা চত্বরে মহিলারা নিজেদের অভিযোগ নিয়ে জড়ো হচ্ছেন। জায়গায় জায়গায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের ঘিরে চলছে বিক্ষোভ। এদিকে মহিলাদের ক্ষোভ-রাগের সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি দালালচক্র।

বীরভূমের মুরারই ১ ব্লক অফিসের সামনে সক্রিয় হয়ে একটি দালালচক্রের খবর সামনে এসেছে। সেই দালালরা নতুন করে আবেদন বা ফর্ম ফিল আপের নামে গরিব মহিলাদের থেকে টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, যে সকল মহিলারা এখনও বঞ্চিত রয়েছেন তাঁদের বিভ্রান্ত করে ভুল তথ্য দিয়ে নতুন করে ফর্ম ফিল আপ করার নামে টাকা হাতানো হচ্ছে।

সতর্কবার্তা প্রশাসনের

অভিযোগ, দালালরা বলছে, আবেদনের জন্য ২০০২ সালের নথি লাগবে। আর ফর্ম ফিল আপ করে দেওয়ার মাথা পিছু ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। দালালদের জালিয়াতি রুখতে মুরারই বিডিও অফিস চত্বরে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের সামনে বিশেষ অডিও বার্তায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বার্তা দিচ্ছে ব্লক প্রশাসন।

প্রশাসন তরফে মহিলাদের সতর্ক করে বলা হচ্ছে, আবেদনের জন্য ২০০২ সালের নথি লাগবে না। আবেদন করেও টাকা না পেলে আবেদনকারীদের অনলাইনে স্ট্যাটাস যাচাই করতে বলা হচ্ছে। যাঁদের ক্ষেত্রে এপ্লিকেশন আন্ডার প্রসেস, ফারদার ভেরিফিকেশন বা রিজেক্টেড দেখাচ্ছে, তাঁদের অনলাইনে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত নথিপত্র পুনরায় যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

Annapurna Yojana

আরও পড়ুন: জঙ্গলমহল থেকে কলকাতার পথে নতুন সরকারি বাস! ঝিলিমিলি-কলকাতা রুটে কোথায় কোথায় স্টপেজ?

আরও বলা হয়েছে, যাঁদের যদি স্ট্যাটাসে অ্যাপ্রুভড দেখাচ্ছে তাঁদের নতুন করে কিছু করার দরকার নেই। অপেক্ষা করতে হবে। পর্যায়ক্রমে লট অনুযায়ী টাকা ঢুকে যাবে। আবেদনকারীরা যেন কোনো দালালচক্রের ফাঁদে না পড়েন সেই নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রশাসন তরফে।