২০২৮ সালেই তৈরি হবে নয়া নজির? মহাকাশে ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ শুরু ভারতীয় স্টার্টআপের

Published on:

Published on:

Indian startup begins work on building data center in space.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ মহাকাশে নতুন সম্ভাবনা অন্বেষণ করছে। এদিকে, বর্তমান সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মহাকাশে ডেটা সেন্টার (Data Center) নির্মাণ। আগামী ১ অক্টোবর, স্পেসএক্স-এর সহযোগিতায় গুগল (Google) লোয়ার আর্থ কক্ষপথে টেনসর প্রসেসিং ইউনিটস তথা TPU পাঠানোর জন্য একটি মিশন চালু করছে। এখন ভারতও (India) এই দিকে মনোযোগ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একটি রিপোর্ট ভারতীয় স্টার্টআপ টেকমিটুস্পেস ২০২৮ সালে স্পেসএক্স-এর মাধ্যমে ভারতের প্রথম ‘নেটওয়ার্কড অরবিটাল ডেটা সেন্টার’ মিশন চালু করবে। এই মিশনটি গুগলের মতো আমেরিকান কোম্পানিগুলির মিশন থেকে ভিন্ন হবে। বর্তমান প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল।

মহাকাশে ডেটা সেন্টার (Data Center) তৈরির কাজ শুরু ভারতীয় স্টার্টআপের:

টেকমিটুস্পেস-এর পরিকল্পনা: জানিয়ে রাখি যে, টেকমিটুস্পেস ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ ‘Waymaker 2’ রাইডশেয়ার মিশনের অংশ হিসেবে ২ টি ১০০-কেজি ওজনের MOI (My Orbital Infrastructure) মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। হায়দরাবাদে স্থিত এই স্টার্টআপটি নিজেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি রিপোর্ট অনুসারে, সংস্থাটির CEO রোনাক কুমার সামন্তরায় বলেছেন, ‘ আমরা এখনও পর্যন্ত যা লঞ্চ করেছি তা শুধু এটাই প্রমাণ করার জন্য যে মহাকাশে ডেটা প্রসেসিং সম্ভব। আমাদের ২ টি নতুন স্যাটেলাইট বৃহৎ পরিসরে এর বাণিজ্যিক উপযোগিতা প্রমাণ করবে।’

Indian startup begins work on building data center in space.

বিশ্বের অন্যান্য মিশন থেকে ভারতের এই মিশনটি কীভাবে আলাদা: উল্লেখ্য যে, এখনও পর্যন্ত, অন্যান্য মিশনগুলি মহাকাশে চিপসেট কীভাবে কাজ করবে তার ওপর আলোকপাত করেছে। অপরদিকে, ‘Waymaker 2’
মিশনটি একটি ভিন্ন দিক পরীক্ষা করবে। ২ টি পৃথক স্যাটেলাইট একটি একক কম্পিউটার হিসাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে কি না, তা এটি খতিয়ে দেখবে।

আরও পড়ুন: এগিয়ে চলেছে ভারতের অর্থনীতি! ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে ৮ শতাংশের বৃদ্ধি, সামনে এল পরিসংখ্যান

ডেটা সেন্টারের ক্ষমতার প্রদর্শন: মহাকাশে পৌঁছানোর পর, টেকমিটুস্পেসের স্যাটেলাইট ২ টি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং প্রদর্শন করবে। সাধারণত, একটি স্যাটেলাইট তার সংগৃহীত তথ্যের মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ পৃথিবীতে প্রেরণ করতে পারে। তবে, টেকমিটুস্পেসের উভয় স্যাটেলাইটই মহাকাশে ডেটা প্রসেস করে তারপর তা পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেবে।

আরও পড়ুন: বিগত ৬ মাসের মধ্যে শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বড় পতন! মাত্র ৬ ঘণ্টায় উধাও ৮ লক্ষ কোটি টাকা

মহাকাশে ডেটা সেন্টারের প্রয়োজন কেন: জানিয়ে রাখি যে, ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রচুর শক্তি এবং জলের প্রয়োজন হয়। যা পৃথিবীর পরিবেশের ওপর একটি বড় বোঝা সৃষ্টি করে। প্রযুক্তি সংস্থাগুলি বিকল্প হিসাবে মহাকাশের দিকে নজর দিচ্ছে। যেখানে তারা তাদের ডেটা সেন্টারের শক্তির চাহিদা মেটাতে সূর্যালোককে কাজে লাগাতে পারে। তবে, মহাকাশে বাস্তবে একটি ডেটা সেন্টার তৈরি হতে সম্ভবত আরও অনেক সময় লাগবে। সংস্থাগুলি বর্তমানে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। শুধুমাত্র এই ক্ষেত্রগুলিতে অর্জিত সাফল্যের ওপরই নির্ভর করবে মহাকাশে ডেটা সেন্টার কখন কাজ শুরু করবে।